ভালুকায় এইচএসসিতে পাসের হার ৬১.১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন | আই নিউজ বিডি

ভালুকায় এইচএসসিতে পাসের হার ৬১.১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন..

Shazzadul Alam Khan  avatar   
Shazzadul Alam Khan
ভালুকায় এইচএসসিতে পাসের হার ৬১.১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন..
ভালুকায় এইচএসসিতে পাসের হার ৬১.১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন..
ছবি: সংগৃহীত
এইচএসসি, আলিম ও কারিগরি-তিন শাখায় মোট ৩ হাজার ২৪৭ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ হাজার ৭৫ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৮৭২ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২০৩ জন। তিন শাখা মিলিয়..

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের বিবরণী প্রকাশ করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। এতে সাধারণ শিক্ষা শাখায় পাসের হার ৬১ দশমিক ১৩ শতাংশ, আলিম পরীক্ষায় ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং কারিগরি শাখায় ৬৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

গত ১ নভেম্বর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ভূঞার স্বাক্ষরিত এক পত্রে ফলাফলের প্রকাশিত করা হয়।  

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ১৬টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৯৪৬ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ হাজার ৮০৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৭১৬ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৯১ জন। পাসের হার ৬১ দশমিক ১৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন শিক্ষার্থী।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, ভালুকা সরকারি কলেজ থেকে ১ হাজার ৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৮১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। ভালুকা মহিলা কলেজ থেকে ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। মর্নিং সান স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। এ ছাড়া হবিরবাড়ী ইউনিয়ন সোনার বাংলা স্কুল ও কলেজ থেকে ১৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

উপজেলার পাঁচটি মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় মোট ১১০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১০৪ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৮ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৫৬ জন। পাসের হার ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

ভালুকা ফাজিল মাদরাসা থেকে ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫০ শতাংশ। রামপুর ফাজিল মাদরাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। কাচিনা কে ইউ ফাজিল মাদরাসা থেকে ২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। অন্যদিকে তালাব ফয়জানিয়া ফাজিল মাদরাসা থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র দুজন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আলিম শাখায় কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

এইচএসসি (বিএম-কারিগরি) শাখায় উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৯১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৬৪ জন। এর মধ্যে ১০৮ জন উত্তীর্ণ এবং ৫৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

এ্যাপোলো ইনস্টিটিউট অব কম্পিউটার থেকে ৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭২ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। সোনার বাংলা ডিগ্রি কলেজের সংযুক্ত বিএম শাখা থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। শহীদ স্মৃতি বি এম কলেজ থেকে ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬১ দশমিক ১১ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এইচএসসি, আলিম ও কারিগরি-তিন শাখায় মোট ৩ হাজার ২৪৭ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ হাজার ৭৫ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৮৭২ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২০৩ জন। তিন শাখা মিলিয়ে সামগ্রিক পাসের হার ৬০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২২ জন শিক্ষার্থী। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিন শাখার মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় পাসের হার সর্বোচ্চ। অন্যদিকে আলিম শাখায় পাসের হার সর্বনিম্ন।

没有找到评论


News Card Generator