মাধবপুরের বণিক বাড়ির দুর্গোৎসব পেল জেলার ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ—প্রথম’ সম্মাননা.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

মাধবপুরের বণিক বাড়ির দুর্গোৎসব পেল জেলার ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ—প্রথম’ সম্মাননা..

Nahid Hasan avatar   
Nahid Hasan
মাধবপুরের বণিক বাড়ির দুর্গোৎসব পেল জেলার ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ—প্রথম’ সম্মাননা..
মাধবপুরের বণিক বাড়ির দুর্গোৎসব পেল জেলার ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ—প্রথম’ সম্মাননা..
ছবি: সংগৃহীত
রবিন বণিকের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ।..

 

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে নান্দনিক প্রতিমা নির্মাণ, দৃষ্টিনন্দন মণ্ডপসজ্জা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতি হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ—প্রথম’ সম্মাননা পেয়েছে মাধবপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও গ্রামের কানাই ভিলায় আয়োজিত বণিক বাড়ি শারদীয় দুর্গোৎসব।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে পূজার সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক রবিন বণিকের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তারা, মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সোহেল রানা।
বণিক বাড়িতে এবারই প্রথম শারদীয় দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়। বণিক বাড়ির পূজা পরিচালনা করেন মাধবপুর পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন বনিক,রবিন বণিক, লিটন বণিক, সঞ্জয় বনিক, রিমন বনিক ও রাজিব বণিক প্রমূখ। প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপসজ্জা, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সুশৃঙ্খল আয়োজনের কারণে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সম্মাননা পেয়ে রবিন বণিক বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ’ নির্বাচিত হওয়া নোয়াগাঁও গ্রামবাসী ও আয়োজকদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এ অর্জন তিনি নোয়াগাঁও গ্রামবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিনি জেলা পুলিশসহ সহযোগিতাকারী সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে আরও সুন্দর আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

জেলা পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, এবারের দুর্গাপূজায় জেলার প্রতিটি মণ্ডপে সুন্দরভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে। আয়োজকদের আন্তরিকতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার মূল্যায়নের পাশাপাশি ভালো কাজকে উৎসাহিত করতেই এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার জন্য তিনি পূজামণ্ডপের কমিটি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

স্থানীয়রা মনে করেন, এ ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতে পূজামণ্ডপগুলোর নান্দনিকতা, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে আয়োজকদের আরও উৎসাহিত করবে।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator