কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বেরকোটা গ্রামের বাসিন্দা মো. জাবের হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে কাজল রেখা ও তাঁর স্বামী আলাউদ্দিন লিটনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, হয়রানি এবং ধারের টাকা নিয়ে বিরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার চেয়ে সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন মো. জাবের হোসেন।
২৫ অক্টোবর রবিবার নিজ বাড়ীতে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে মো. জাবের হোসেন দাবি করেন, প্রায় চার বছর আগে পারিবারিক সমস্যার কারণে আর্থিক সংকটে পড়লে তাঁর বাবা মো. আবুল হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা কাজল রেখার কাছ থেকে সুদে ১ লাখ টাকা ধার নেন।
ধারের টাকার বিপরীতে তার বাবা আবুল হোসেন একটি গ্যারান্টি চেক প্রদান করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাবের হোসেনের দাবি, পরবর্তী সময়ে কাজল রেখা ওই চেকের বিপরীতে ১ লাখ টাকার পরিবর্তে ২১ লাখ টাকা দাবি করেন।
তার অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে কাজল রেখা ও তাঁর স্বামী আলাউদ্দিন লিটন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে যাওয়ার পর তাদের পক্ষে ধারের টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে চাঁদপুর জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসরাত জাহান ইমার মাধ্যমে তার বাবার কাছে ২১ লাখ টাকা দাবি করে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। বিষয়টি তাঁদের কাছে বিস্ময়কর বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জাবের হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, মূল ধারের পরিমাণ ছিল ১ লাখ টাকা। তবে ওই টাকার পরিবর্তে ২১ লাখ টাকা দাবি করে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি কচুয়া, চাঁদপুরের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে মামলাটির নং হিসেবে সিআর মামলা নং ৭৪/২০২৫ উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, তার বাবার সরলতার সুযোগ নিয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে।
তার দাবি,ধারের প্রকৃত পরিমাণ ১ লাখ টাকা হলেও অতিরিক্ত ২১ লাখ টাকা দাবি করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
তিনি এসব অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।তিনি বলেন কাজল রেখা ও তার স্বামী আলাউদ্দিন লিটন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আমাদের হয়রানি করছেন,আমরা ন্যায় বিচার ও সঠিক তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত আবুল হোসেন, স্হানীয় বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ, নাজির হোসেন, বাবুল মিয়া, জহির মিয়া, মোস্তফা কামাল ও রুহুল আমিন সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।