ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে কালীগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে কালীগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক: avatar   
শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক:
ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে কালীগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ..
ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে কালীগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ..
ছবি: সংগৃহীত
কালীগঞ্জ উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বরাদ্দ করা এসব শাড়ি বিতরণের মাধ্যমে দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর '২৬) শাড়ি বিতরণকালে সংসদ সদস্য হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি তাঁদের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেন, ধর্মীয় উৎসবগুলো পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। সব ধর্মের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার চর্চা জোরদার করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এদিকে, শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে স্থানীয় প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পূজামণ্ডপগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন সংসদ সদস্য। পূজার সময় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে এ উদ্যোগ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি কালীগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator