আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবলের ফাইনালে মারামারি, যবিপ্রবির নয় খেলোয়াড় আহত.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবলের ফাইনালে মারামারি, যবিপ্রবির নয় খেলোয়াড় আহত..

রাসেল মাহমুদ avatar   
রাসেল মাহমুদ
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবলের ফাইনালে মারামারি, যবিপ্রবির নয় খেলোয়াড় আহত..
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবলের ফাইনালে মারামারি, যবিপ্রবির নয় খেলোয়াড় আহত..
ছবি: সংগৃহীত
****

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

এতে যবিপ্রবির নয়জন নারী খেলোয়াড় আহত হয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ এনে ম্যাচ বর্জন করেছে যবিপ্রবি নারী ফুটবল দল।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে সকাল ১০টায় খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে, শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দলে বহিরাগত খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের সমাধান না করেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

যবিপ্রবির খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের অভিযোগ, খেলা শুরুর পর থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শক ও খেলোয়াড়রা যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের গালিগালাজ করতে থাকেন। বিষয়টি রেফারিকে জানাতে গেলে যবিপ্রবির খেলোয়াড় ছোঁয়াকে প্রথমে লাল কার্ড দেখানো হলেও পরে ম্যাচ কমিশনারের হস্তক্ষেপে তা প্রত্যাহার করা হয়।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধে খেলা চলাকালে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। যবিপ্রবি দলের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় জ্যোৎস্না তাদের খেলোয়াড় ফারিয়ার গলা চেপে ধরেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুই দলের মধ্যে মারামারি বেঁধে যায়।

এ সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলা, জ্যোৎস্না ও তাসলিমার বিরুদ্ধে যবিপ্রবির অধিনায়ক সাদিয়া, সামিয়া এবং আঁখিকে মাটিতে ফেলে মারধরের অভিযোগ ওঠে। হামলায় আঁখির নখ ভেঙে যায় এবং ছোঁয়ার হাত ও হাঁটুতে রক্ত জমাট বাঁধে। এ ছাড়া খেলোয়াড় সাগরিকা, শশি ও অন্তিকাকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গাছের ডাল নিয়ে মারতে উদ্যত হওয়া প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের বাধা দিতে গেলে যবিপ্রবির শিক্ষার্থী মারুফও লাঞ্ছিত হন এবং তার গলার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

যবিপ্রবির শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক উজ্জ্বলচন্দ্র সূত্রধর বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের কাগজপত্র নিয়ে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। খেলা শুরুর পর থেকেই তারা আমাদের খেলোয়াড়দের ওপর চড়াও হয়। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠের ভেতরে ও বাইরে আমাদের খেলোয়াড়দের ওপর বর্বর হামলা চালানো হয়।’

‘আমরা খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম; কিন্তু খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি,’ বলেন সহকারী পরিচালক।

 

 

Nema komentara


News Card Generator