নোয়াখালীর পাঁচ আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দিনব্যাপী মতবিনিময় সভা করেছেন সংসদ সদস্য আলহাজ ফখরুল ইসলাম। দলীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং মনোনয়নপ্রক্রিয়ায় দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে চলার বিষয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল ৩টায় বসুরহাট পৌরসভার হলকক্ষে চরফকিরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রত্যাশীদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় চর পার্বতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সংসদ সদস্য আলহাজ ফখরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন যারা চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্য নয় তারা কিভাবে চেয়ারম্যানের কাতারে এসে দাঁড়ায় এমনটি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ দিয়ে বললেন বাটইয়া ইউনিয়নের যে চারজন চেয়ারম্যান পদে দাঁড়িয়েছেন তাদের কাউকে ফেলে দেওয়ার মত না, যে কাউকে নমিনেশন দেওয়া হলে মোটামুটি চালিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু এখানে দুইটি উপজেলাকে উদ্দেশ্য করে বলেন ১০-১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আজকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন সবার মাঝে সমন্বয়ের অভাব ফুটে উঠেছে। অনেকে মেম্বার হওয়ার যোগ্য না তারা কিভাবে চেয়ারম্যানের পদে নির্বাচন করতে লাইনে দাঁড়িয়েছে।
সভাগুলোতে উপস্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দলীয় মনোনয়ন ও নির্বাচনী ঐক্য নিয়ে আলোচনা হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা এবং নির্বাচনে সহযোগিতা করার বিষয়ে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করা হয়।
সভায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশীরা দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য বজায় রাখার উদ্যোগ দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে বিভিন্ন নেতাকর্মীদের মাঝে বিভিন্ন ক্ষোভ দেখা দিয়েছে যারা মেম্বার হওয়ার যোগ্য নয় তারাও আজকে চেয়ারম্যানের কাতারে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ অনেকের। আবার অনেক প্রার্থীকে এমপি নিজেও চিনেন না এবং জানেন না , তারা দলের লোক কিনা তাও জানার কোন উপায় নেই হঠাৎ করে তারা দলীয় প্রার্থীর কাতারে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। এদিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আলম সিকদার বলেন, অনেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়ে।
সময়গুলোতে স্ব স্ব ইউনিয়নের নেতাকর্মী সহ উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত বক্তব্য রাখেন ।