শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধীতপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের টুংরাপাড়া নয়াবিডা পূজামণ্ডপে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেছেন মুহাম্মদ রকিবুল হাসান খান রাসেল।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ শুভেচ্ছা উপহারকে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহমর্মিতার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পালনের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব ও ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। দুর্গাপূজার মতো ধর্মীয় উৎসবগুলো কেবল একটি সম্প্রদায়ের আনন্দ-উৎসব নয়; বরং এগুলো সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য জোরদার করারও উপলক্ষ।
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ইতিবাচক ভূমিকা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা একটি সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনের অন্যতম শর্ত। তাই ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার পাশে দাঁড়ানো, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা এবং উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টুংরাপাড়া নয়াবিডা পূজামণ্ডপে শুভেচ্ছা উপহার প্রদানের এ উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখার বার্তা বহন করে।