ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটি কর্তৃক নবীন সদস্যদের বরণ ও আন্তঃব্লক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হল চত্বরে এ আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, এদিন দুটি পর্বে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে 'কার্ড ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করবে' শীর্ষক এশিয়ান পার্লামেন্টারি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপক্ষ দল জয়ী ও সেরা বিতার্কিক সরকার দলের প্রধানমন্ত্রী মীর্জা সিফাত আহমেদ মনোনীত হন। একইসঙ্গে দ্বিতীয় পর্বে 'গুপ্ত রাজনীতিই বাংলাদেশের সুস্থ রাজনীতিকে কলুষিত করেছে' শীর্ষক ইয়ুথ পার্লামেন্ট বিতর্ক ও নবীন সদস্যদের কলম ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এসময় চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে এম এ হাসান, পাবনা-১ আসনে মতিউর রহমান, বগুড়া-২ আসনে নয়ন ইসলাম, কক্সবাজার-১ আসনে ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, ঢাকা-১১ আসনে মীর্জা সিফাত আহমেদ ও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ইলিয়াস হোসেন প্রতিনিধিত্ব করেন। এতে সেরা বক্তা হিসেবে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের প্রতিনিধিত্বকারী এম এ হাসান মনোনীত হন।
বিতর্কে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি শোয়াইব বিন আসাদ। এসময় সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি শান্ত শিশির, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, সাদ্দাম হোসেন ও জিয়াউর রহমান হলের সাবেক সভাপতি ও ইবি ডিবেটিং সোসাইটির উপদেষ্টা নাহিদুর রহমান ও রায়হান ইসলাম-সহ আট হলের ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বলেন, "একসাথে দুটি বিতর্কের আয়োজন কখনো কোনো হল করেছে কিনা আমাদের জানা নেই। আমরা চেয়েছি নবীন বিতার্কিকসহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কিকরা দেখুক কীভাবে সফলভাবে বিতর্ক ম্যানেজমেন্ট করতে হয় এবং আধুনিক বিতর্কের চর্চাকে আরও শাণিত করা যায়। আমাদের বিতার্কিকরা আগামীতে সারা ক্যাম্পাসে নেতৃত্ব দিয়ে সাদ্দাম হোসেন হল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু দেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী রিপ্রেজেন্ট করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"
সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি শান্ত শিশির বলেন, "হল ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে আজ আমরা আয়োজন করেছি নবীন বরণ ও আন্তঃব্লক বিতর্ক প্রতিযোগিতা। নবীন শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তাশক্তিকে শাণিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন। অনুষ্ঠানে এশিয়ান পার্লামেন্টারি বিতর্কের পাশাপাশি ইয়ুথ পার্লামেন্টের একটি আকর্ষণীয় পরিবেশনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, যা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজনের ক্ষেত্রে একটি নতুন অভিজ্ঞতা। দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও করতালি আমাদের আয়োজনকে সফল করেছে। আশা করি, নবীন বিতার্কিকরা নিজেদের দক্ষতা ও যুক্তিচর্চার মাধ্যমে আরও এগিয়ে যাবে এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিতর্ক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করবে।"