মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে অসুস্থ শেয়ালের আঁচড়ে আহত হওয়ার পর জলাতঙ্কের টিকা না নিয়ে ঝাড়ফুঁক করিয়েছিলেন বশির আহমেদ খান লিটন। দেড় মাস পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। পরে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার পর শনিবার দিবাগত রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
লিটন উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের ছাতিয়াইন গ্রামের মৃত সিদ্দিক মাস্টারের ছোট ছেলে।
স্বজনদের ভাষ্য, হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাঁর শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে বাড়ির পাশে একটি অসুস্থ শেয়ালের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন লিটন। পরে স্থানীয় লোকজন শেয়ালটিকে পিটিয়ে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলেন। আহত হওয়ার পর তাঁকে জলাতঙ্কের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি টিকা না নিয়ে কবিরাজের কাছে ঝাড়ফুঁক করান।
মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর জানান, শেয়ালের আঁচড়ে আহত হওয়ার পর লিটনকে জলাতঙ্কের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি টিকা নেননি।
স্বাস্থ্য সতর্কতা: প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের পর ক্ষতস্থান ১৫ মিনিট সাবান-পানিতে ধুয়ে দ্রুত জলাতঙ্কের টিকা নিন। ঝাড়ফুঁক নয়, প্রয়োজন সময়মতো চিকিৎসা।