পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য: ২ একর জমিতে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য: ২ একর জমিতে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা..

Md Asaduzzaman  avatar   
Md Asaduzzaman
পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য: ২ একর জমিতে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা..
পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য: ২ একর জমিতে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা..
ছবি: সংগৃহীত
পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য: ২ একর জমিতে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা

পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য: ২ একর জমিতে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা

​পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মাচায় তরমুজ চাষের নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি প্রদর্শনী উপলক্ষে এক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নের বনবাড়ী এলাকায় এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।

​প্রকল্পের প্রদর্শনী হিসেবে কৃষক মনজুর আলমকে প্রথমে ২০ শতক জমিতে মাচায় তরমুজ চাষের সহায়তা দেওয়া হয়। এর সফলতা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি পরবর্তীতে নিজ উদ্যোগে মোট দুই একর জমিতে 'সুগার কিং' ও 'বাংলালিংক' জাতের তরমুজ চাষ করেন। আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত ও নিরাপদ পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদনে স্থানীয় কৃষকদের উৎসাহিত করতেই মূলত এ মাঠ দিবসের আয়োজন।

​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) আলমগীর কবির।

​অন্যান্যের মধ্যে পীরগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা লতিফুল হাসান, খনগাঁও ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাবলু হক, রাসেল ইসলাম ও রায়হান আলী, স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম এবং সফল কৃষক মনজুর আলমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

​মাঠ দিবসে সফল কৃষক মনজুর আলম তাঁর অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, "দুই একর জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করতে আমার মোট ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমান ফলন ও বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা নিট লাভ হবে বলে আশা করছি।"

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম বলেন, "মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যেকোনো ফসল চাষের আগে মাটি পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে ডলোচুন ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে। এর পাশাপাশি মাটির উর্বরতা দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখতে জৈব সার ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।"

​উল্লেখ্য, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক ও নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের ফলন বৃদ্ধি এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই কৃষি বিভাগ নিয়মিতভাবে এ ধরনের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।

​মোঃ আসাদুজ্জামান

পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও।

कोई टिप्पणी नहीं मिली


News Card Generator