মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বকশীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পুরাতন কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নওশেদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল চন্দ্র সাহা, আমজাদ হোসেন, ইকবাল আজাদ, নূর মোহাম্মদ, আব্দুর রশিদ মাস্টার ও আক্রাম আলী।
বক্তারা দাবি করেন, ২০২২ সালের মার্চে প্রকাশিত একটি গেজেটে সারা দেশে ৮১ জনকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই তালিকায় দেলোয়ার হোসেন মাস্টার ও আব্দুর রাজ্জাকের নাম রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
তাদের দাবি, যাচাই-বাছাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করেছে। ফলে তারা বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত নন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
বক্তারা বলেন, দেলোয়ার হোসেন মাস্টার ও আব্দুর রাজ্জাককে সাধারণ নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তাদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে আপত্তি তৈরি হয়।
সম্প্রতি দেলোয়ার হোসেন মাস্টারের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হলে বকশীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধারা এতে বাধা দেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নওশেদ আলী বলেন, “বাংলাদেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবিত থাকা পর্যন্ত কোনো ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের সুযোগ দেওয়া হবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দেলোয়ার হোসেন মাস্টারের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির বিষয়ে সরকারি নথিপত্র ও গেজেট যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।