জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণ: জিয়া পরিবারের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়.... | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণ: জিয়া পরিবারের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়....

তন্বী আহমেদ  avatar   
তন্বী আহমেদ
জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণ: জিয়া পরিবারের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়....
জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণ: জিয়া পরিবারের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়....
ছবি: সংগৃহীত
চার দশকের ব্যবধানে বাবা-মায়ের পর এবার জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঐতিহাসিক ঘটনা জিয়া পরিবারের আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করছে।....

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ভাষণ কেবল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকই নয়, বরং জিয়া পরিবারের আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতাকেও নতুন মাত্রা দিচ্ছে। চার দশকের ব্যবধানে একই বিশ্বমঞ্চে বাবা-মায়ের পর ছেলের পদচারণা, যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক বিশেষ স্থান দখল করবে।

জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে জিয়া পরিবারের তিন সদস্যের উপস্থিতি এক বিরল ঘটনা। ৪৬ বছর আগে, এই মঞ্চেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে তাঁর বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেছিলেন ধনী-দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে বৈষম্য, বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নিরসন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর বিশ্ব নেতাদের সামনে বাংলাদেশের অবস্থানকে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছিল।

জিয়াউর রহমানের ১৩ বছর পর, ১৯৯৩ সালে তাঁর সহধর্মিনী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই একই মঞ্চে ভাষণ দেন। ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচবার তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তৃতায় গণতন্ত্রের প্রসার, উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর অধিকার আদায়ের গুরুত্ব বিশেষভাবে স্থান পেয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ উপস্থিতি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছিল।

এবার সেই ঐতিহ্য বহন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাবা-মায়ের দেখানো পথে হেঁটে, একই বিশ্বমঞ্চে তাঁর প্রথম ভাষণ বাংলাদেশের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে দেশের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ভাষণ কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। জিয়া পরিবারের এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে।

সোর্স: www.itvbd.com

לא נמצאו הערות


News Card Generator