চাঁদপুর রোড কচুয়া দেবীপুরে স্বামীর সাথে অভিযোগ।কচুয়া থানায় হত্যা মামলা।.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

চাঁদপুর রোড কচুয়া দেবীপুরে স্বামীর সাথে অভিযোগ।কচুয়া থানায় হত্যা মামলা।..

shahadat Munsy avatar   
shahadat Munsy
চাঁদপুর রোড কচুয়া দেবীপুরে স্বামীর সাথে অভিযোগ।কচুয়া থানায় হত্যা মামলা।..
চাঁদপুর রোড কচুয়া দেবীপুরে স্বামীর সাথে অভিযোগ।কচুয়া থানায় হত্যা মামলা।..
ছবি: সংগৃহীত

নিহতের মায়ের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মাহমুদুল হাসান তার মেয়েকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এমনকি তাকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেও দেওয়া হতো না। নির্যাতনের বিষয়টি সালমা..

কচুয়ায় স্বামীর মারধরের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রীর মৃত্যু

 কচুয়া প্রতিনিধিঃ

চাঁদপুরের কচুয়ায় স্বামীর মারধরের অভিযোগে সালমা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মোছাঃ কুলসুমা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত সালমা আক্তারের সঙ্গে কচুয়া উপজেলার দেবীপুর এলাকার মাহমুদুল হাসানের প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ২০২০ সালের মার্চ মাসে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সাইয়েদা নূর আক্তার (৫) নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

নিহতের মায়ের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মাহমুদুল হাসান তার মেয়েকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এমনকি তাকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেও দেওয়া হতো না। নির্যাতনের বিষয়টি সালমা বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের জানাতেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে একাধিকবার সতর্ক করে সংসার ভালোভাবে পরিচালনার পরামর্শ দেওয়া হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে কচুয়ার দেবীপুর এলাকায় মাহমুদুল হাসানের বসতঘরে পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে সালমা আক্তারের সঙ্গে তার স্বামীর তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে মাহমুদুল হাসান তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন এবং তলপেটে জোরে লাথি মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এরপর সালমা আক্তার শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ফোন করে সালমার অসুস্থতার খবর তার মাকে জানান। পরে ১২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে অভিযুক্তের ভাগনি তামান্না আক্তার (২২) ফোন করে সালমার মৃত্যুর সংবাদ দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে নিহতের মা, বাবা ও পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানতে গিয়ে তারা স্বামীর মারধরের অভিযোগের কথা জানতে পারেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর নির্যাতনের কারণেই সালমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়ে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় কচুয়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator