কাঠালিয়ায় সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে তথ্য নিতে গিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন মিটিংয়ের সন্ধান, সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে চাঁদা দাবির অভিযোগ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কাঠালিয়ায় সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে তথ্য নিতে গিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন মিটিংয়ের সন্ধান, সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে চাঁদা দাবির অভিযোগ..

MD  IMRAN MUNSHI avatar   
MD IMRAN MUNSHI
কাঠালিয়ায় সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে তথ্য নিতে গিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন মিটিংয়ের সন্ধান, সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে চাঁদা দাবির অভিযোগ..
কাঠালিয়ায় সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে তথ্য নিতে গিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন মিটিংয়ের সন্ধান, সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে চাঁদা দাবির অভিযোগ..
ছবি: সংগৃহীত
কাঠালিয়ায় ডিএমএফ ডিগ্রিধারী সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একটি গোপন বৈঠকের সন্ধান পেয়েছেন সংবাদকর্মীরা। এ সময় মিটিংয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অপু শিকদ..

 

মোঃ ইমরান মুন্সি 
জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি 

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ডিএমএফ ডিগ্রিধারী সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একটি গোপন বৈঠকের সন্ধান পেয়েছেন সংবাদকর্মীরা। এ সময় মিটিংয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অপু শিকদার ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ তারিখে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাঠালিয়া উপজেলার অপু শিকদারের ভবনে থাকা চিকিৎসক সুজিত বৈদ্যের চেম্বারের সামনে এই ঘটনা ঘটে। মূলত সুজিত বৈদ্যের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও অনিয়ম নিয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান চলাকালীন সময়ে বিষয়টি টের পেয়ে যান অভিযুক্তরা। এমনকি এই অনুসন্ধানের বিষয়ে সুজিত বৈদ্য প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের সুপারিশ বা তদবির নিয়ে আসেন।

​এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আরও গভীরভাবে অনুসন্ধানের জন্য সাংবাদিকরা ওই ভবনে গেলে দেখতে পান, সেখানে তিনজন ব্যক্তি বসে দলিলপত্র দেখছেন। মূলত এই তিনজনের সাথে সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য অপু শিকদারসহ আরও বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ও নেতৃবৃন্দের ওই গোপন মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথা ছিল এবং দলিল দেখার আড়ালেই সেখানে একটি অতি গোপন মিটিং চলছিল।

​সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হলে গোপন মিটিংয়ের সেই আসল প্রেক্ষাপট ও রহস্য ফাঁস হয়ে যায়। এতে চরম বিচলিত ও রাগান্বিত হয়ে পড়েন অপু শিকদার ও তার সহযোগীরা। পরে তারা বুঝতে পারেন যে সাংবাদিকরা সুজিত বৈদ্যের বিষয়ে জানতে এসেছেন, তখন নিষিদ্ধ সংগঠনের মিটিংয়ের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার ক্ষোভে সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রাখেন অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে অপু শিকদার ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের ডোনারসহ উপস্থিত বাকি সদস্যরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। পরবর্তীতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে গোপন মিটিং ও চাঁদা দাবির বিষয়টি জানাজানির ভয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, সুজিত বৈদ্য এই নিষিদ্ধ সংগঠনের নিয়মিত আর্থিক অনুদানদাতা (ডোনার) হওয়ায় অপু শিকদার আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তাছাড়া বিগত সরকারের সময়ে জেলা পরিষদের সদস্য থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, বিনাপানির কে বি কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দকৃত ৮ লাখ টাকার মধ্যে নামমাত্র ১ থেকে ১.৫ লাখ টাকার কাজ করে বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া কাঠালিয়া উপজেলার খালের পাশের খাস জমি জবরদখল করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে ওই ভবনে বসেই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

​এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত অপু শিকদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator