যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন..

Juwel Hossain avatar   
Juwel Hossain
যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন..
যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন..
ছবি: সংগৃহীত
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়..

সিরাজগঞ্জ পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা সুজন হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপর দুই আসামি খালাস পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার। রায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিবারের সদস্যরা খালাসপ্রাপ্তদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা মাজেদা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "আমি ন্যায্য বিচার চাই, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে লড়াই করে গেছি। অনেক আশা নিয়ে আদালতে গিয়েছিলাম, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত বিচার পাইনি।"

নিহতের ভাই আরিফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, "হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীকে বাদ দিয়ে এ রায় দেওয়া হয়েছে। সুজনকে হত্যার মাত্র দুই বছর পর তিথির সঙ্গে মূল অভিযুক্ত রাশেদের বিয়ে হয়। যে রাশেদের সঙ্গে কথা বলে এবং যার নির্দেশ ও পরিকল্পনায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটল, সে কীভাবে খালাস পায়?" 

তিনি জানান, আদালতে মনিরুল স্বীকার করেছিল যে রাশেদের নির্দেশেই অস্ত্র কেনা হয়েছিল। বিচার পুনর্বিবেচনা ও সাজা বাড়াতে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের চাচাতো ভাই ওয়ালিদ সেখ অভিযোগ করেন, "সুজনের স্ত্রীর সঙ্গে রাশেদের অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি সুজন জেনে ফেলার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়।" সংবাদ সম্মেলনে নিহতের অপর দুই ভাই মো. হিমেল ও মো. রোকন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সুজনের স্ত্রী উম্মে জামিলা তিথি ও মনিরুল ফকিরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে তিথি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. পিয়াস হোসেন ও রাশিদুল ইসলাম রাশেদকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার পরপরই আদালত চত্বরে নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২ জুন পরকীয়ার জেরে সিরাজগঞ্জ শহরের নিজ বাসভবনে সেলিম রেজা সুজনকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহতের মা বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

Nessun commento trovato


News Card Generator