ইরানি হুমকির মুখে ক্যাটারিং ট্রাকে লুকিয়েছিলেন ট্রাম্প ও পিট হেগসেথ!.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ইরানি হুমকির মুখে ক্যাটারিং ট্রাকে লুকিয়েছিলেন ট্রাম্প ও পিট হেগসেথ!..

সাবরিনা চৌধুরী  avatar   
সাবরিনা চৌধুরী
ইরানি হুমকির মুখে ক্যাটারিং ট্রাকে লুকিয়েছিলেন ট্রাম্প ও পিট হেগসেথ!..
ইরানি হুমকির মুখে ক্যাটারিং ট্রাকে লুকিয়েছিলেন ট্রাম্প ও পিট হেগসেথ!..
ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দাবি করা হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পিট হেগসেথ গত মাসে তুরস্ক সফরে গিয়ে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েন। একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে, ইরানি হুমকির মু..

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছিল যে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইরান সামরিকভাবে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত এবং ধ্বংস হয়ে গেছে। হোয়াইট হাউসের এই প্রচারণার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক চাঞ্চল্যকর ও বিব্রতকর তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে, যা মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। জানা গেছে, গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী পিট হেগসেথ এক সফরে তুরস্কে গেলে মারাত্মক নিরাপত্তা সংকটের মুখোমুখি হন।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ট্রাম্পের ওই তুরস্ক সফরকালে সেখান থেকে বিশ্বাসযোগ্য ও অত্যন্ত গুরুতর ইরানি হুমকির তথ্য মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে পৌঁছায়। এই আকস্মিক ও মারাত্মক হুমকির মুখে মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান ও তার সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে উঠেছিল যে প্রচলিত নিরাপত্তা প্রোটোকল ভেঙে ট্রাম্প এবং পিট হেগসেথকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়।

সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো, সম্ভাব্য হামলা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পিট হেগসেথকে একটি সাধারণ ক্যাটারিং ট্রাকে লুকিয়ে থাকতে হয়। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামরিক শক্তির বড়াই করা এবং ইরানকে কোণঠাসা করার দাবির বিপরীতে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ধরনের গোপনীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ পলায়ন বা লুকিয়ে থাকার ঘটনা হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা মার্কিন প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির সঙ্গে বাস্তবের বিরাট ফারাক তুলে ধরেছে। একদিকে ইরানকে দুর্বল বলে প্রচার চালানো হলেও অন্যদিকে মাঠপর্যায়ে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের কতটা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হচ্ছে, এই প্রতিবেদন তারই এক জ্বলন্ত প্রমাণ। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ মহলে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার সত্যতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক নতুন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

সোর্স: www.youtube.com

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator