কামারখন্দে নারীকে  বেঁধে  রেখে ও শিশুদের ভয় দেখিয়ে  নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট .. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কামারখন্দে নারীকে  বেঁধে  রেখে ও শিশুদের ভয় দেখিয়ে  নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট ..

মো. ইয়াছিন কবির avatar   
মো. ইয়াছিন কবির
কামারখন্দে নারীকে  বেঁধে  রেখে ও শিশুদের ভয় দেখিয়ে   নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট ..
কামারখন্দে নারীকে  বেঁধে  রেখে ও শিশুদের ভয় দেখিয়ে   নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট ..
ছবি: সংগৃহীত
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাইকোশার লাহিড়ীবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নূরুল ইসলাম ওই এলাকার গামছা তৈরির ব্যবসায়ী।..

ইয়াছিন কবির: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্ত্রীকে বেঁধে এবং দুই শিশুকে ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় সাড়ে ৯ -১০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাইকোশার লাহিড়ীবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নূরুল ইসলাম ওই এলাকার গামছা তৈরির ব্যবসায়ী।

তবে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে চুরি বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে, গামছা ব্যবসায়ী নূরুল ইসলামের দাবি, তাঁর স্ত্রীকে বেঁধে রেখে এবং সন্তানদের ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি ঘটনাটিকে ডাকাতি বলে দাবি করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নূরুল ইসলাম গামছা বিক্রির জন্য গত সোমবার ঢাকায় যান। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী শরিফা বেগম (৩৪), মেয়ে সামিয়া (৮) ও ছেলে রিজওয়ান (৪) ছিলেন।  মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল কেটে তিনজন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের একজন রশি দিয়ে শরিফার গলায় পেঁচিয়ে টানতে থাকেন। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাঁরা গামছা ও স্কচটেপ দিয়ে তাঁর মুখ ও হাত বেঁধে রাখেন। এ সময় একজন দুই শিশুকে ধরে ভয় দেখান। অপর দুজন স্টিলের আলমারি খুলে স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে নেন।

পরিবারের দাবি, ওই সময় প্রায় সাড়ে চার ভরি স্বর্ণালংকার, সাত ভরি রুপার অলংকার, নগদ ৩০ হাজার টাকা, ১০-১২ হাজার টাকার কাপড়সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়। পরিবারের হিসাবে এসব মালামালের মোট মূল্য প্রায় সাড়ে ৯ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকার উপরে। 

পরে শরিফার মেয়ে সামিয়া তাঁর মায়ের মাথায় পানি দিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শরিফার জ্ঞান ফিরলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হয়।

ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের   বুধবার  বেলা তিনটায় বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছি। আমি বাড়িতে ছিলাম না৷ তবে আমার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে ও সন্তানদের ভয় দেখিয়ে সাড়ে চার ভড়ি স্বর্ণলংকার,৭ ভড়ি রুপার জিনিস, নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ প্রায় সাড়ে ৯ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। একইসঙ্গে আমার গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডকুমেন্টস নষ্ট করে ফেলেছে। তিনি বলেন এ ঘটনায় দুজনকে পুলিশ জিজ্ঞাবাদের জন্যেও থানায় নিয়ে গেছে। আর এটিকে তিনি ডাকাতি হিসেবে দাবি করেছেন।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী বলেন, ঘটনাটি চুরি হিসেবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে কী পরিমাণ টাকা ও স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Hiçbir yorum bulunamadı


News Card Generator