১১ আগস্ট প্রকাশিত নিয়োগ তালিকায় তথ্যসংগ্রহকারী পদে বগারচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির ছেলে মিলনের নাম রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এ ছাড়া সাধুরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী রওশনকেও একই কর্মসূচির তথ্যসংগ্রহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রওশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে লেখালেখি করেছেন। তার বাবা আমির আলী সাধুরপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক পদে রয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনায় না নিয়ে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বকশীগঞ্জেও তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোরাদ বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও যোগ্যতার বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হবে। নিয়োগে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযোজন করা হবে।