বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর যশোর বোর্ড থেকে মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮৮ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতোই ভালো ফলাফল ধরে রেখেছেন। তবে মানবিক বিভাগের ফলাফল বেশ উদ্বেগজনক।
বিজ্ঞান বিভাগ: পাসের হার ৮১.২৩ শতাংশ।মানবিক বিভাগ: পাসের হার মাত্র ৪৮.৮২ শতাংশ।এগিয়ে মেয়েরা: ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পাসের হার এবং ভালো ফলাফলের সূচক বেশি।জেলাভিত্তিক পারফরম্যান্স যশোর বোর্ডের অধীনে থাকা ১০টি জেলার ফলাফলে এবার বড় ধরনের রদবদল দেখা গেছে।
শীর্ষে খুলনা: বোর্ডের অন্তর্গত জেলাগুলোর মধ্যে এবার শীর্ষ স্থান দখল করেছে খুলনা জেলা। পিছিয়েছে যশোর: গতবারের শীর্ষস্থানে থাকা যশোর জেলা এবার নেমে গেছে দ্বিতীয় স্থানে, এ জেলায় পাসের হার ৬৯ শতাংশ।অন্যান্য জেলা: চুয়াডাঙ্গা ৩য় (৬৮.৭০%), বাগেরহাট ৪র্থ (৬৬.৩৭%), সাতক্ষীরা ৫ম (৬৬.২৯%), নড়াইল ৬ষ্ঠ (৬৫.১৬%), মাগুরা ৭ম (৬৪.৮৪%), মেহেরপুর ৮ম (৬৪.২৪%) এবং ঝিনাইদহ জেলা ৯ম স্থান (৬২.৯৬%) অধিকার করেছে।
এবারের পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের অধীনস্থ ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শূন্য পাস করা এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন জানান, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষকদের গাফিলতি বা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে স্বীকৃতি বাতিলের কথাও জানান তিনি।
খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ যেসব পরীক্ষার্থী তাদের প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি বা ফলাফলে অসন্তুষ্ট, তাদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের (বোর্ড চ্যালেঞ্জ) সুযোগ রাখা হয়েছে। আজ ১১ আগস্ট থেকে টেলিটক মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে অনলাইনে এই পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।বোর্ড সচিবের মতে, সংখ্যার চেয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই এখন বোর্ডের প্রধান লক্ষ্য এবং আগামীতে মানবিক বিভাগের ফলাফল বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।