স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারের একটি পারিবারিক দোকান দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সর্বশেষ বুধবার তারা সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। হামলাকারীরা নিজেদেরকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর লোক পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ সময় দোকান মালিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, সামসুল হক প্রধান, ফিরোজ আহমেদ, আপন মিয়া এবং শিহাব প্রধানের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্রনিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। ঘটনাস্থলেই তারা মারাত্মকভাবে আহত হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
ঘটনার পর থেকেই মলমগঞ্জ বাজার এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।