ঘটনাটি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় এলাকায় সংঘটিত হয়। সেখানে উপস্থিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং হযরত আলীকে আইন অনুযায়ী প্রশাসনের হাতে সোপর্দ করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে এ ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয়দের মতে, একজন মায়ের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত কষ্টের সিদ্ধান্ত, তবে সমাজ ও সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করছেন, এই ঘটনা অন্য অভিভাবকদের জন্যও একটি শিক্ষা হতে পারে—সন্তান বিপথে গেলে সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি।
প্রশাসন সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে এবং পরিবার থেকেই প্রতিরোধ শুরু করতে হবে।