নিহত আব্দুস সামাদ উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের বড়ইতলী গ্রামের মৃত কাজেম উদ্দিনের ছেলে। এই ঘটনায় দুই নারীসহ আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে আব্দুস সামাদ তার স্ত্রীকে নিয়ে শেরপুর শহরে ‘আশা’ এনজিওর অফিসে কিস্তির টাকা তুলতে যান। কাজ শেষে ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানযোগে বাড়ি ফেরার পথে শালফা বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক (ধুনট) থেকে আসা একটি দ্রুতগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশার (বগুড়া থ ১১-১৬৭৭) সাথে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোভ্যানের সকল যাত্রী রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
উদ্ধার ও চিকিৎসা
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আব্দুস সামাদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীকালে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে স্বজনরা তাকে বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি
শেরপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়নি।
নিহত: আব্দুস সামাদ (৫৫)
গ্রাম: বড়ইতলী, খানপুর ইউনিয়ন।
আহত: ২ নারীসহ ৩ জন।