বই, কবিতা আর প্রাণের উচ্ছ্বাসে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ৮ম মুরারিচাঁদ কলেজ বইমেলা–২০২৬.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

বই, কবিতা আর প্রাণের উচ্ছ্বাসে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ৮ম মুরারিচাঁদ কলেজ বইমেলা–২০২৬..

ছাইম ইবনে আব্বাস, সিলেট।  avatar   
ছাইম ইবনে আব্বাস, সিলেট।
বই, কবিতা আর প্রাণের উচ্ছ্বাসে  আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ৮ম মুরারিচাঁদ কলেজ বইমেলা–২০২৬..
বই, কবিতা আর প্রাণের উচ্ছ্বাসে  আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ৮ম মুরারিচাঁদ কলেজ বইমেলা–২০২৬..
ছবি: সংগৃহীত
সিলেটের প্রাচীন শিক্ষাঙ্গন মুরারিচাঁদ কলেজ আবারও প্রস্তুত বই, কবিতা আর সংস্কৃতির উচ্ছ্বাসে নিজেকে নতুন করে সাজাতে।..
 বসন্তের আবেশে রঙিন এই প্রাঙ্গণ জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে কাগজের গন্ধ, শব্দের মায়া আর তরুণ হৃদয়ের প্রাণচাঞ্চল্য। শুরু হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত ‘৮ম মুরারিচাঁদ কলেজ বইমেলা-২০২৬’ একটি আয়োজন, যেখানে বই কেবল পণ্য নয়, অনুভূতিরও ভাষা।
আগামীকাল ১৩ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল টানা তিন দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই সাহিত্যোৎসব। সময়ের হিসাব যেন এখানে থমকে দাঁড়াবে; পাঠক, লেখক আর সংস্কৃতিপ্রেমীদের মিলনমেলায় প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠবে স্মরণীয়। মুরারিচাঁদ কবিতা পরিষদের আয়োজনে এই বইমেলা রূপ নেবে এক বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক আসরে। বইয়ের স্টলগুলো হবে জ্ঞানের আলোকবর্তিকা, আর তার চারপাশে বয়ে যাবে কবিতা পাঠের সুর, আবৃত্তির আবেগ, নাটকের অভিনয়, নৃত্যের ছন্দ এবং লোকসংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের হৃদয়ছোঁয়া ধ্বনি। যেন একসঙ্গে জেগে উঠবে বাঙালির সাহিত্য ও সংস্কৃতির বহুবর্ণ রূপ।
 
মেলার উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আকমল হোসেন, আর বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. আবুল কালাম আজাদ। তাঁদের উপস্থিতি এ আয়োজনকে দেবে আরও মর্যাদা ও অনুপ্রেরণা।
 
আয়োজকদের প্রত্যাশা, নতুন বইয়ের সমাহার নিয়ে আসবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রকাশক ও লেখকরা। স্টলগুলো ঘিরে তৈরি হবে বইপ্রেমীদের উচ্ছ্বসিত ভিড় কেউ খুঁজবেন প্রিয় লেখকের নতুন বই, কেউ বা খুঁজে নেবেন অজানা কোনো রত্ন। বন্ধুবান্ধবের আড্ডা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর বইয়ের পাতায় ডুবে থাকার এক অনন্য অভিজ্ঞতা মিলবে এই মেলায়। মুরারিচাঁদ কবিতা পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জাবের বলেন, এই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য তরুণ প্রজন্মকে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করা। তাঁর ভাষায়, “বই মানুষকে শুধু জ্ঞান দেয় না, মানুষকে মানুষও করে।” শেষ দিনে মেলার আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠার প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা। প্রতি বছরের মতো এবারও বই কেনার আনন্দে জমে উঠবে ভিড়, আর সেই ভিড়ের মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যাবে ভবিষ্যতের পাঠক, লেখক ও চিন্তকদের। বইয়ের পাতায় লুকানো স্বপ্ন আর সংস্কৃতির রঙে রাঙানো এই আয়োজন যেন হয়ে ওঠে এক অনির্বচনীয় অভিজ্ঞতা এমন প্রত্যাশায় অপেক্ষায় রয়েছে সিলেটের সাহিত্যপ্রেমী মানুষ
Keine Kommentare gefunden


News Card Generator