ভালুকা পৌরসভায় মশক নিধন অভিযান শুরু, ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে কার্যক্রম.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ভালুকা পৌরসভায় মশক নিধন অভিযান শুরু, ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে কার্যক্রম..

Shazzadul Alam Khan  avatar   
Shazzadul Alam Khan
ভালুকা পৌরসভায় মশক নিধন অভিযান শুরু, ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে কার্যক্রম..
ভালুকা পৌরসভায় মশক নিধন অভিযান শুরু, ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে কার্যক্রম..
ছবি: সংগৃহীত
পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সবগুলো ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পৌর প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন।..

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ভালুকা পৌরসভায় মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে আনতে আনুষ্ঠানিকভাবে মশক নিধন অভিযান শুরু হয়েছে। পৌরসভার ০৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সবগুলো ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পৌর প্রশাসক মো. ইকবাল হোসেন।

এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, পৌরসভার ভেতরে যেখানে মশার উপদ্রব বেশি, সেসব এলাকার তথ্য কমেন্টে জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকদের সহযোগিতার ভিত্তিতেই অভিযান আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পোস্টে মন্তব্য করে স্থানীয়রা বিভিন্ন এলাকার চিত্র তুলে ধরেন। সফিউল্লাহ লিটন প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভালুকা পৌরসভা ও হবিরবাড়ি ইউনিয়ন এলাকাতেও জোরদার কার্যক্রমের আহ্বান জানান।

মজলিসুর রহমান জানান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গজারীখাল থেকে সালাম মার্কেট পর্যন্ত এলাকায় মশার উপদ্রব অনেক বেশি। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

এডভোকেট নাজমুল ইসলাম লেখেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের খান বাড়ির ভেতরে কয়েকটি খোলা ড্রেন মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। তিনি সহকারী কমিশনার ভূমি এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।

শারমিন পান্না মেজরভিটা এলাকায় মশার তীব্র উপদ্রবের কথা উল্লেখ করে প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি কামনা করেন।

গোলাম পাঞ্জাতন খান পাপ্পু বলেন, প্রায় সব ওয়ার্ডেই মশার উপদ্রব অত্যাধিক। তাই প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত একটি করে ফগার মেশিন পাঠানোর ব্যবস্থা করা উচিত।

জিহাদ হাসান জিলানী মন্তব্য করেন, দিনের তুলনায় রাতেই মশার উপদ্রব বেশি দেখা যায়। তার ভাষায়, রাত হলেই মশা যেন একযোগে আক্রমণ শুরু করে।

পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে ওয়ার্ডভিত্তিক অভিযান জোরদার করা হবে। পাশাপাশি খোলা ড্রেন পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ ও সচেতনতা কার্যক্রমও পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয়দের আশা, নিয়মিত ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে ভালুকা পৌর এলাকায় মশার উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator