দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে ধারাবাহিক সক্রিয়তার কারণে তাকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের একটি অংশ।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আসমা আজিজ নারীর অধিকার, স্বনির্ভরতা ও তৃণমূল নারী নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করে আসছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য একটি শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক উন্নয়ন কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা তাকে জেলার রাজনীতিতে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ আসনের বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছিলেন তিনি। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করে রাস্তাঘাট, কালভার্ট-ব্রিজ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শিক্ষা ব্যবস্থা ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নের নানা সমস্যা সম্পর্কে সরাসরি অবগত হয়েছেন বলে জানান আসমা আজিজ।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে গত ১৭ বছরে একাধিক মামলা ও হামলার শিকার হয়েছি। তবুও জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, দল যদি তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেয়, তবে জনগণের প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করবেন। একটি আধুনিক, মানবিক ও উন্নত বরগুনা গড়ে তোলাই হবে তার অঙ্গীকার।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বরগুনার বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নারীর কার্যকর প্রতিনিধিত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। যোগ্য, সক্রিয় ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতৃত্ব সংরক্ষিত আসনে প্রাধান্য পেতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
যদিও দলীয়ভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে আসমা আজিজকে ঘিরে যে জনআলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা বরগুনার আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।