সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রুনা গাজী; দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রীকে… | আই নিউজ বিডি

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রুনা গাজী; দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রীকে মূল্যায়নের দাবি..

বাগেরহাট প্রতিনিধি avatar   
বাগেরহাট প্রতিনিধি
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রুনা গাজী; দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রীকে মূল্যায়নের দাবি..
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রুনা গাজী; দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রীকে মূল্যায়নের দাবি..
ছবি: সংগৃহীত
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রুনা গাজী; দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রীকে মূল্যায়নের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাগেরহাট ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ অঞ্চল থেকে সম্ভা..

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রুনা গাজী; দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রীকে মূল্যায়নের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাগেরহাট ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ অঞ্চল থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন চিতলমারী উপজেলা সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুনা গাজী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
রাজনৈতিকভাবে সুপরিচিত পরিবারে বেড়ে ওঠা রুনা গাজী ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত। তিনি রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চিতলমারী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় উন্নয়ন ও নারী নেতৃত্ব বিকাশে ভূমিকা রাখেন বলে এলাকাবাসী জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি নাশকতা মামলার প্রথম আসামি হন এবং হামলা-মামলার শিকার হন। দলের দুর্দিনে রাজপথে সক্রিয় থাকা নেত্রী হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম আলোচনায় আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তার পক্ষে প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাগেরহাট-খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সংসদে গেলে এ অঞ্চলের নারীদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো হবে।
বিএনপির চিতলমারী উপজেলার এক নেতা বলেন, “রুনা আপু দলের দুর্দিনে সক্রিয় ছিলেন। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে তাকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।”
চিতলমারী বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “তিনি শিক্ষিত ও সৎ পরিবারের সন্তান। তার মতো মানুষের সংসদে যাওয়া সময়ের দাবি।”
রুনা গাজী বলেন, “স্বৈরাচার আমলে আমি রাজপথে থেকে আওয়ামী লীগের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। ছোটবেলা থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলের দুর্দিনে সব কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি এবং হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। আশা করি দল আমার ত্যাগ ও সাংগঠনিক অবদান মূল্যায়ন করবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাগেরহাট-খুলনা অঞ্চলের অনেক এলাকা এখনও উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে। নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। সুযোগ পেলে নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে চাই।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারী নেতৃত্ব ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার মতে, বাগেরহাট-খুলনা অঞ্চলের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলে রুনা গাজী যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবেন।
উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা—দলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সংগঠক নেতৃত্বকে মূল্যায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে শক্তিশালী নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কার্যকর বার্তা দেবে বিএনপি হাইকমান্ড।

Geen reacties gevonden


News Card Generator