প্রতিষ্ঠালগ্নে একঝাঁক তরুণ-তরুণীকে সঙ্গে নিয়ে মানবসেবার ব্রত নিয়ে যাত্রা শুরু করে কিশোর কলি। সময়ের পরিক্রমায় সংগঠনটি নিজ উপজেলা ছাড়িয়ে জেলা শহরসহ আশপাশের এলাকার মানুষের কাছেও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মহিবুল্লাহর মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তাঁকে এলাকার মানুষের কাছে একজন প্রিয় ও সুহৃদ ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের চাহিদার আলোকে বৃক্ষরোপণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা ও ক্রীড়া উপকরণ বিতরণ, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, ছাত্র-ছাত্রীদের পোশাক বিতরণ, ঈদে শাড়ি-লুঙ্গি ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ, বইমেলা আয়োজন, ওরস্যালাইন বিতরণসহ স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো ও রাস্তাঘাট সংস্কারের মতো নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এসব ধারাবাহিক মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে সংগঠনটি সরকারের কাছ থেকে অনুমোদনও লাভ করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে বরগুনার পঁচাকোড়ালিয়া, আরপাঙ্গাসিয়া ও কড়াইবাড়িয়া এই তিনটি ইউনিয়নের ৬ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়। বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হামিদা এনি।
এলাকাবাসীর মতে, মহিবুল্লাহর মতো মানবিক মানুষদের নেতৃত্বে এবং এলাকার বিত্তবানদের পাশাপাশি সরকারের অনুদান ও সহযোগিতা পেলে কিশোর কলি উন্নয়ন পরিষদ শুধু মানবসেবাই নয়, উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড ও বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।