উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সনদ প্রদানে অর্থ আদায়ের অভিযোগ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সনদ প্রদানে অর্থ আদায়ের অভিযোগ..

Md Bawezid Hossain avatar   
Md Bawezid Hossain
উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সনদ প্রদানে অর্থ আদায়ের অভিযোগ..
উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সনদ প্রদানে অর্থ আদায়ের অভিযোগ..
ছবি: সংগৃহীত
****

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পৌর শহরে অবস্থিত সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান ঝিকিড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সনদ সরবরাহে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যালয়টি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় হয়েও রকম অনিয়ম কিভাবে হয় এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

বিদ্যালয়টিতে চলতি বছর ১৬৮ জন শিক্ষার্থী পঞ্চম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীরা সনদ নিতে গেলে গুনতে হচ্ছে অর্থ। এই অর্থ আদায় করার বিষয়টি জানিয়েছেন একাধিক অভিভাবক।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরের সনদ প্রদানে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে কোনো ফি বা অর্থ আদায়ের নিয়ম নেই।

অথচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক সনদ প্রদানে এই অর্থ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একা অভিভাবক জানান, তার সন্তান পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বিদ্যালয় থেকে সনদ নিতে গেলে তার কাছ থেকে ২০০ টাকা নেওয়া হয়। 

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আরও অভিভাবক একি কথা বলেন।

এ বিষয়ে অভিভাবকেরা প্রশ্ন করলে প্রধান শিক্ষক তাদের জানায়, সনদ প্রস্তুতের খরচ বাবদ এই টাকা নেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, সনদ প্রস্তুত করতে কিছু খরচ হয়েছে। সে কারণেই টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে কারও কাছ থেকে জোরপূর্বক নেওয়া হয়নি। অভিভাবকেরা স্বেচ্ছায় টাকা দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সনদ দিতে কোনো ধরনের অর্থ নেওয়ার নিয়ম নেই। তবে সনদ প্রস্তুতে ৩০-৪০ টাকা খরচ হয় সেটা সেচ্ছায় দিলে নেওয়াটা আলাদা বিষয়। তবে টাকার বিনিময়ে সনদ প্রদানের বিষয়ে আমি জেনেছি। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোন কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট থেকে জেনেছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Nema komentara


News Card Generator