ক্ষেতলাল কে জি স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিভাবকের গুরুতর অভিযোগ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ক্ষেতলাল কে জি স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিভাবকের গুরুতর অভিযোগ..

M Rasel Ahmed avatar   
M Rasel Ahmed
ক্ষেতলাল কে জি স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিভাবকের গুরুতর অভিযোগ..
ক্ষেতলাল কে জি স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিভাবকের গুরুতর অভিযোগ..
ছবি: সংগৃহীত
ক্ষেতলাল কে জি স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিভাবকের গুরুতর অভিযোগ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সঙ্গে অসদাচরণ, গালিগালাজ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম রুখসানা বেগম। তিনি ক্ষেতলাল কে জি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

‎অভিযোগকারী মোহাঃ রুমালী আক্তার (স্বামী: আরফাত আলী পলাশ), যিনি উপজেলার ইটাহোলা গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, তার কন্যা মোহাঃ আয়াত গত বছর ক্ষেতলাল কে জি স্কুলে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হয় এবং বর্তমানে একই স্কুলে অধ্যয়নরত।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে তার কন্যা পানি খাওয়ার জন্য ক্লাস থেকে বাইরে এলে তিনি নিজেই শিশুটিকে পানি খাওয়াচ্ছিলেন। এ সময় শিক্ষিকা রুখসানা বেগম এসে শিশুটিকে হুমকি দিয়ে ক্লাসে যেতে বলেন এবং টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার ভয় দেখান। এ ঘটনায় অভিভাবক প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত শিক্ষিকা তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষিকা রুখসানা বেগম তার স্বামী মিজানুর রহমান চৌধুরীকে ফোন করে ডেকে আনেন এবং পুলিশ ডাকার হুমকি দেন। পরবর্তীতে স্বামী ঘটনাস্থলে এসে অভিভাবককে গালিগালাজ করেন এবং স্কুলে পুলিশও আনা হয়।
‎ভুক্তভোগী অভিভাবকের দাবি, এর আগেও ওই শিক্ষিকা তার কন্যা ও তাকে একাধিকবার অশালীন ভাষায় অপমান করেছেন। এমনকি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সামনেই তার পিতাকে অপমান করার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ক্ষেতলাল বাজারের বাবুর হোটেলে অভিযুক্ত শিক্ষিকা, তার স্বামী, ভাই এবং কয়েকজন লোক মিলে তার পিতার ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
‎অভিযোগকারীর মতে, অভিযুক্ত শিক্ষিকা স্কুলে থাকলে শিক্ষার পরিবেশ ও গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন। ইতোমধ্যে এ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
‎এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে স্কুল থেকে অপসারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator