হোয়াটসঅ্যাপ কলেই ফাঁস! হাদি হত্যা মামলায় শাহীন চেয়ারম্যানের নাম.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

হোয়াটসঅ্যাপ কলেই ফাঁস! হাদি হত্যা মামলায় শাহীন চেয়ারম্যানের নাম..

Md. Nezam Uddin avatar   
Md. Nezam Uddin
হোয়াটসঅ্যাপ কলেই ফাঁস! হাদি হত্যা মামলায় শাহীন চেয়ারম্যানের নাম..
হোয়াটসঅ্যাপ কলেই ফাঁস! হাদি হত্যা মামলায় শাহীন চেয়ারম্যানের নাম..
ছবি: সংগৃহীত
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, হোয়াটসঅ্যাপ কল ও এসএমএস বিশ্লেষণে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।..


ঢাকা আট আসনে পদপ্রার্থী 
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে অর্থ ও অস্ত্রের জোগানদাতা ছিলেন তিনি নিজেই।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসেবে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাও রয়েছেন। একটি দায়িত্বশীল গোয়েন্দা সূত্র এসব তথ্য যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে।
সূত্র আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর ঘাতকদের ঢাকা থেকে সীমান্ত পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন তিনি।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই বিপ্লবে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ক্ষুব্ধ ছিল। দলটির একটি অংশ হাদিকে তাদের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে তাকে ‘হিটলিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, শাহীন আহমেদ দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন এবং শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পুলিশের নথিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকলেও প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। পলাতক অবস্থায় দীর্ঘদিন নীরব থাকলেও গত কয়েক মাস ধরে তিনি বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হত্যাকাণ্ডসহ নানা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সমন্বয় করছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, হোয়াটসঅ্যাপ কল ও এসএমএস বিশ্লেষণে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের ঘটনার আগে ও পরে একাধিকবার যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মামলার সন্দেহভাজন তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নাম উঠে এসেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ দুই ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আজ ঢাকা মানিক মিয়া এভেনিউ সংসদ ভবনে দক্ষিণ প্লাজায় বিপ্লবী হাদির জানাযা অনুষ্ঠিত হবে  দুপুর ২টায় এরপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুলের পাশে চির সমাধি করা হবে ভারতের আধিপত্যবিরোধী জুলাই যোদ্ধা শহীদ ওসমান শরীফ হাদিকে।

لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator