ভোলা চরফ্যাশন উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার, এপিপির ওপর হামলার অভিযোগ।.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ভোলা চরফ্যাশন উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার, এপিপির ওপর হামলার অভিযোগ।..

Md Sohel avatar   
Md Sohel
ভোলা চরফ্যাশন উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার,  এপিপির ওপর হামলার অভিযোগ।..
ভোলা চরফ্যাশন উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার,  এপিপির ওপর হামলার অভিযোগ।..
ছবি: সংগৃহীত
****

 

ভোলা চরফ্যাশন উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার, 
এপিপির ওপর হামলার অভিযোগ।
 
 
বিশেষ প্রতিনিধি:
মোঃ সোহেল
 
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা চত্বরে অতিরিক্ত সরকারি কুশলী (এজিপি) ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি)—দুজন আইনজীবীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে নজরুল নগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সজিব শাহরিয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতা–কর্মী এপিপি ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলা, হুমকি–ধামকি এবং লাঞ্ছিত করার অভিযোগও উঠেছে।
 
অভিযুক্ত সজিব শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সোমবার দুপুরের পর এসব ঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চাঁদাবাজি মামলার পক্ষে লড়ছেন এজিপি মো. সিদ্দিক মাতব্বর।
 
দুলারহাট থানার পরিদর্শক ইয়াছিন আলম চৌধুরী জানান, গত নভেম্বর মাসে জোর করে ধান কাটার ঘটনায় সজিব শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা (নং–৫২/২৫) হয়। ওই মামলার দুই নম্বর আসামিকে সোমবার দুপুরে উপজেলা সড়ক থেকে থানা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চরফ্যাশন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হযরত আলী হিরণ বলেন, সদ্য যোগ দেওয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দুপুর দুইটা থেকে আড়াইটার মধ্যে বের হওয়ার সময় সজিব শাহরিয়ার এজিপি সিদ্দিক মাতব্বরকে উদ্দেশ করে বলে—‘তুই আমাকে মামলায় দিয়েছিস, আমি তোকে দেখে নেব।’ পরে তাঁরা বিষয়টি থানার কর্মকর্তাদের জানান এবং বেলা ৩টার দিকে পুলিশ সজিবকে গ্রেপ্তার করে।
 
এপিপি হিরণ আরও বলেন, সজিবের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা তাঁকে ফোন দিয়ে তদবির করতে চাপ দেন। কিন্তু তিনি অপারগতা প্রকাশ করায় বিএনপির নেতা–কর্মীরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালান, দরজা ভেঙে ফেলে, তাঁর স্ত্রীকে হুমকি দেন এবং পরে তাঁর চেম্বারেও আক্রমণ করেন। বাসায় ফেরার পথে ছাত্রদল–যুবদলের কর্মীরা তাঁকে লাঞ্ছিত করে, আহত করে এবং তাঁর পকেটের টাকা, ঘড়ি ও মোবাইল ছিনতাই করে নেয়।
 
তিনি বলেন, “এটি নিয়মিত মামলা। পুলিশ কাউকে ছাড়বে কি না, তা আমার হাতে নেই। তাই অপারগতার কথা জানিয়েছি। আর এ কারণেই আমার ওপর এ হামলা।” তিনি আরো জানান, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়ন নির্দেশনা দিয়েছেন—কোনো চাঁদাবাজ–সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না; সজিব শাহরিয়ার তাঁরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত। হামলার বিচার চেয়ে তিনি দেশে–বিদেশে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আইনজীবী ফোরাম বিষয়টি নিয়ে বৈঠক ডাকেছে, এবং তিনি মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
 
চরফ্যাশন উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব জাহিদুল ইসলাম রাসেল বলেন, “আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে সজিব শাহরিয়ার ইউপি সদস্য হয়েছে। ৫ আগস্টের পরে প্যানেল চেয়ারম্যান হয়েছে। তাঁর পক্ষ নিয়ে যুবদলের কেউ এপিপির ওপর হামলা করবে—এ কথা বলাই যায় না। যারা হামলা করেছে, তারা সন্ত্রাসী।”
Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator