কালিগঞ্জের খুব্দীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে অপপ্রচার–হয়রানির অভিযোগ কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কালিগঞ্জের খুব্দীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে অপপ্রচার–হয়রানির অভিযোগ কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে..

এস এম তাজুল হাসান সাদ avatar   
এস এম তাজুল হাসান সাদ
কালিগঞ্জের খুব্দীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে অপপ্রচার–হয়রানির অভিযোগ কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে..
কালিগঞ্জের খুব্দীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে অপপ্রচার–হয়রানির অভিযোগ কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে..
ছবি: সংগৃহীত
****

কালিগঞ্জের খুব্দীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে অপপ্রচার–হয়রানির অভিযোগ কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার খুব্দীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে কাটুনিয়া রাজবাড়ি কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক মহাসীন হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষকবৃন্দ আইনগত প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্ধ্যা রানী বিশ্বাসসহ সহকারী শিক্ষক রোজিনা খাতুন, মোছাঃ হোসনে আরা আতুন, শাহারিয়া ইয়াসমিন, জাহানারা খাতুন, রায়হান শরীফ ও আইনুল হক অভিযোগ করেন—বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় (২০২১–২০২৩) মহাসীন হোসেন ছিলেন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। সে সময়ে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষিকাদের উত্যক্ত করতেন এবং বিদ্যালয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেন। বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও মামলার কাজে তিনি বাধা প্রদান করেন বলেও উল্লেখ করেন তারা।

শিক্ষকরা জানান, ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে পরাজিত হওয়া এবং বিদ্যালয়ের জমি রক্ষায় মামলা দায়েরের কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে মহাসীন হোসেন শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে দেন। এমনকি এসব বিভ্রান্তিকর লিংক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিরূপ ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

গত ৩০ নভেম্বর প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আখিয়া আনজুমের দাদার মৃত্যুতে বিদ্যালয়ে শোকাবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। সে দিন সকাল ৯টায় শ্রেণিকাজ শুরুর আগেই তিনি অনুমতি ছাড়া অফিসকক্ষে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। শিক্ষকরা বলেন—কোনো বক্তব্য না নিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভিডিও প্রচার করায় তাদের সম্মান ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মহাসীন হোসেন নিজেও একটি কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও নিজের দায়িত্ব ফাঁকি দিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে ভিডিও ধারণ ও প্রচার করেছেন, যা নীতিবহির্ভূত এবং শিক্ষকদের হয়রানির উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

অভিযোগ বিষয়ে জানতে মহাসীন হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator