ফরিদপুর পাবনায় টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে আধা পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ফরিদপুর পাবনায় টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে আধা পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক..

মোঃ আরিফুল ইসলাম avatar   
মোঃ আরিফুল ইসলাম
ফরিদপুর পাবনায় টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে আধা পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক..
ফরিদপুর পাবনায় টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে আধা পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক..
ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুর পাবনায় টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে আধা পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক..

ফরিদপুর পাবনায় টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে আধা পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক

 

মোঃ আরিফুল ইসলাম
ফরিদপুর উপজেলা প্রতিনিধি

 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় টানা তিনদিনের বৃষ্টির কারনে মাটিতে নুয়ে পড়েছে রোপা আমন ধান। ফলন ঘরে তোলার আগমুহূর্তে আধা পাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন আমন ধান করা চাষিরা। 


২-৩ সপ্তাহের মধ্যে মাঠের পাকা ধানগুলো কেটে ঘরে তোলার অপেক্ষায় ছিলেন কৃষকেরা। কিন্তু কার্তিকের শেষে অসময়ের বর্ষণে পাঁকা ধানগুলো মাঠে শুয়ে যায়। এতে ভারী বর্ষণে ধান ও মাসকলই খেসারি রসুন পিয়াজ খেতে পানি জমে গেছে। ফলে মাঠের ধান নষ্ট হয়ে গেছে।


আজ রবিবার (০২ই নভেম্বর) পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার বনওয়ারীনগর  ইউনিয়নের বন্যগাড়াবিলের আমনের মাঠে গিয়ে দেখা গেছে,  হলুদ হয়ে আসা ধানের  খেতগুলো বৃষ্টির পানির  কারনে মাটিতে মিশে রয়েছে। বিঘার পর বিঘা জমির ধান শুয়ে পড়ায়  ফলন ও গুণগত মান নষ্ট  হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন  কৃষকেরা।


খলিশাদহ গ্রামের কৃষকেরা বলেন আমাদের ৬ একর জমিতে আমনের আবাদ  করেছে। ১৫ দিন পর ধান কাটার কথা ছিল  তাঁদের। তিনিরা হতাশা নিয়ে বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে আবাদ করেছি। আর  যখন কাটার সময় হলো, তখন পাকা ধানে মই দিয়ে। গেল বৃষ্টি। জমিতে  পানি জমে শিষ ভিজে নষ্ট  হচ্ছে, ফলন অর্ধেক হয়ে  যেতে পারে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  তিন দিনের টানা ও  মাঝারি বৃষ্টিতে খেতের  অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। গাছের গোড়ায় পানি জমে  গাছ মরে যাচ্ছে। এতে  ধান চাষিদের মাথায় হাত  পড়েছে। অসময়ে  বৃষ্টিপাতে ধানের  পাশাপাশি বিভিন্ন খেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এবার ভালো ফলনের  আশায় ছিল কৃষকেরা। কিন্তু সে আশা  গুড়েবালিতে পরিণত হয়েছে। ধানের খেত নিয়েও তাঁরা চরম  বিপদের শঙ্কায় রয়েছেন। 

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator