জাতীয় দৈনিক তরুণ কণ্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন (২৮) এর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত’ বলেছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকাবাসী।
জানা যায়, নরসিংদী জেলার পলাশ থানায় সম্প্রতি হাজেরা আক্তার (৩২), যিনি শিবপুর থানা মহিলা দলের সদস্য, সাংবাদিক ইমনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়–ইমন নাকি তাকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছেন।
তবে ঘটনাস্থল ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, পুরো ঘটনাটি ছিল একটি সাজানো নাটক।
সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের পর থানার তদন্ত কর্মকর্তা ইমনের গ্রামের বাড়িতে যান। কিন্তু সে সময় সাংবাদিক মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন ঢাকায় ছিলেন – সাংবাদিকতার কাজে। পরে জরুরি প্রয়োজনে ২৩ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার তিনি গাজীপুরে টঙ্গীতে ছিলেন এবং সেদিন সন্ধ্যা দিকে নরসিংদী গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। বাড়ির পথে ফিরলে হাজেরা আক্তার রাস্তা মধ্যে প্রকাশ্যে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন, স্থানীয় লোকজন জড়ো হয় এবং সেখানে ইমনের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি ছিল পুরোপুরি পরিকল্পিত। হাজেরা আক্তার রাস্তায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনমত বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালান এবং পরবর্তীতে থানায় গিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন বলেন, আমি ঢাকায় সাংবাদিকতার কাজে ছিলাম। আমার নামে যে অভিযোগটি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি মহল ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে চায়। আমি কখনো কারও ক্ষতি করিনি, বরং সমাজের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আইনের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়–আমাদের সমাজে অনেক সময় আইনকে মহিলাদের আবেগ দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়। আমি চাই প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করুক, যাতে প্রকৃত সত্য সবার সামনে আসে।
এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিক জানান, মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন একজন সৎ ও পেশাদার সংবাদকর্মী, যিনি নির্ভয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরেন। তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।
তারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানান, এই ঘটনায় মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে একজন তরুণ সাংবাদিকের সম্মান রক্ষা করা হোক।