কটিয়াদীতে মিথ্যা মামলায় নির্দোষ যুবকের জেল !
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) এহসান হকের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক নির্দোষ যুবকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলার তদন্তে তিনি ‘সত্য’ প্রতিবেদন জমা দেন, যার ফলে ওই যুবক বিনা অপরাধে জেল খাটছেন।
ঘটনাটি সম্প্রতি এলাকাজুড়ে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তদন্ত কর্মকর্তা এহসান হক সঠিক তদন্ত না করে প্রভাবিত হয়ে মিথ্যা রিপোর্ট দেন। ফলে নির্দোষ ওই যুবককে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
পরিবারটি ইতিমধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। কিন্তু অভিযোগ করার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো তদন্ত বা রিপোর্ট মেলেনি। এতে পরিবারটি আরও ভোগান্তিতে পড়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, “আমাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে জেলে পাঠানো হয়েছে। আমরা পুলিশের কাছে বারবার গিয়েছি, কিন্তু কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা চাই, সত্য উদঘাটিত হোক এবং যারা মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
কিশোরগঞ্জের সচেতন মহলও ঘটনার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “যদি পুলিশ নিজেরাই অন্যায়ের আশ্রয় নেয়, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”
ভুক্তভোগী পরিবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছে— যেন এই মিথ্যা মামলা, পুলিশের ভুল রিপোর্ট ও নিরপরাধ মানুষের হয়রানি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তারা আদালতের কাছে অনুরোধ করেছেন, মামলাটির পুনঃতদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক।
সাধারণ মানুষ আশা করছে, এই ঘটনার ন্যায্য বিচার হবে এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো নিরপরাধ মানুষ মিথ্যা মামলার শিকার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন মনোযোগ দেবে।