কিশোরগঞ্জে মিথ্যা মামলার বাণিজ্য, পুলিশের রিপোর্টে সত্য গোপনের অভিযোগ!
কিশোরগঞ্জ জেলাজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে মিথ্যা মামলার বাণিজ্য নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অপরাধ না করেও অনেক নির্দোষ মানুষ আজ কারাভোগ করছে, আর প্রকৃত অপরাধীরা প্রভাব ও অর্থের জোরে থেকে যাচ্ছে আইনের বাইরে। বিশেষ করে পাঁচই আগস্টের পর থেকে আদালতে জমা দেওয়া একাধিক মামলার তদন্ত রিপোর্টে দেখা গেছে, ঘটনাগুলো প্রাথমিকভাবে মিথ্যা বা ভিত্তিহীন হলেও পরবর্তীতে প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে সত্য গোপন করে মিথ্যাকে “সত্য” হিসেবে দেখানো হচ্ছে। ফলে একদিকে নির্দোষ মানুষদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত দোষীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা ন্যায়বিচারের আশায় পুলিশের কাছে যান, কিন্তু অনেক সময় সেই আশাই তাদের জন্য হয়ে দাঁড়ায় দুঃস্বপ্নের মতো। এক নিরপরাধ ভুক্তভোগীর স্বজন বলেন, “আমার ভাইকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। পুলিশের রিপোর্টে সব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সত্যকে উল্টে ফেলা হয়েছে। এখন সে বিনা অপরাধে জেলে কষ্ট করছে।” স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর যোগসাজশে এসব মিথ্যা মামলা ‘অর্থ বাণিজ্যে’ পরিণত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ যেমন হয়রানির শিকার হচ্ছে, তেমনি বিচারব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। তারা বলেন, “বিচারব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এ ধরনের মিথ্যা মামলা ও প্রভাবিত রিপোর্টের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সত্য গোপনকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।” বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ দাবি করেছেন, সরকার ও প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্য উদঘাটন করতে হবে। অন্যথায় নির্দোষ মানুষদের কান্না থামবে না, আর বিচারব্যবস্থা হারাবে জনগণের বিশ্বাস
।