চিকিৎসকের অবহেলায় সেবা হাসপাতালে প্রসুতির মৃত্যু, দেড় লাখ টাকায় রফাদফার অভিযোগ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

চিকিৎসকের অবহেলায় সেবা হাসপাতালে প্রসুতির মৃত্যু, দেড় লাখ টাকায় রফাদফার অভিযোগ..

Md Roman kabir avatar   
Md Roman kabir
চিকিৎসকের অবহেলায় সেবা হাসপাতালে প্রসুতির মৃত্যু, দেড় লাখ টাকায় রফাদফার অভিযোগ..
চিকিৎসকের অবহেলায় সেবা হাসপাতালে প্রসুতির মৃত্যু, দেড় লাখ টাকায় রফাদফার অভিযোগ..
ছবি: সংগৃহীত
নীলফামারী ,প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সেবা হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক প্রসুতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত প্রসুতির স্বজনদের দাবি, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে দেড় ল..

সরেজমিনে বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে গিয়ে জানা যায়, গত সোমবার (২০ অক্টোবর) ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের মধ্য সুন্দরখাতা গ্রামের জগন্নাথ চন্দ্রের মেয়ে চন্দনা রানী (১৯) প্রসব বেদনা শুরু হলে তাঁকে ডোমারের সেবা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিজারিয়ান অপারেশন করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিলেন ডা. আইনুল ইসলাম।

চন্দনার মা মিনু রানী অভিযোগ করেন,

“ডাক্তার বলেন, রোগীর কোনো সমস্যা নেই, শুধু সিজার করতে হবে। কিন্তু মঙ্গলবার বিকাল তিনটার দিকে সিজার করার পর থেকেই প্রচুর রক্তপাত শুরু হয়। আমরা বারবার বলেছি রক্ত বন্ধ করুন বা রোগীকে রেফার্ড দিন—আমরা রংপুরে নিয়ে যাবো। কিন্তু ডাক্তাররা কথা শোনেননি। সকালে বলেন, ‘নিয়ে যান’, তখন দেখি আমার মেয়ে মারা গেছে।”

তিনি আরও জানান,

“হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক আমাদের দিয়ে মীমাংসার কাগজে সই করায় এবং পরে দেড় লাখ টাকা দেয়। আমরা ন্যায়ের বিচার চাই।”

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত চন্দনা রানীর স্বামী দীপক চন্দ্র (৩০) ডিমলা বাজার সংলগ্ন বাবুরহাট এলাকার দীনেশ চন্দ্রের ছেলে। তাদের আট বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে। চন্দনা সিজারের মাধ্যমে আবারও এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন; নবজাতক বর্তমানে সুস্থ আছে।

এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান বারি বলেন,

“আমরা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি শুনেছি। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে আমরা স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেব।”

ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন,

“এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে স্বজনদের আবেদনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।”

অন্যদিকে, সেবা হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সার্জন ডা. আইনুল হকের (মোবাইল: ০১৭৫৮১২৩৪৪৫) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Ingen kommentarer fundet


News Card Generator