ইবরাহীম জাদরানের ৯৫ ও নবাগত বিলাল সামির ৫ উইকেট। ২০০ রানের বিশাল জয় আফগানিস্তানের!.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ইবরাহীম জাদরানের ৯৫ ও নবাগত বিলাল সামির ৫ উইকেট। ২০০ রানের বিশাল জয় আফগানিস্তানের!..

Bakhtiar S. avatar   
Bakhtiar S.
ইবরাহীম জাদরানের ৯৫ ও নবাগত বিলাল সামির ৫ উইকেট। ২০০ রানের বিশাল জয় আফগানিস্তানের!..
ইবরাহীম জাদরানের ৯৫ ও নবাগত বিলাল সামির ৫ উইকেট। ২০০ রানের বিশাল জয় আফগানিস্তানের!..
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার ৩ ম্যাচের ওডিআই সিরিজের ৩য় ও শেষ ম্যাচ। (টি-২০'র পর) সিরিজটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।..

টি-টুয়েন্টি সিরিজে ০-৩ এ হারের পর সিরিজের ১ম ওয়ানডেতে ৫ উইকেটে ও ২য় ম্যাচে ৮১ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে (ওয়ানডে) সিরিজ নিশ্চিত করা আফগানিস্তান নিয়ম রক্ষার শেষ ম্যাচে গতকাল (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬ টায় মাঠে নামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। টসে জয়লাভ করে আফগান দল প্রথমে ব্যাটিং করে। 

আফগান দুই ওপেনার দারুণ সাবলীলভাবেই দলকে এগিয়ে নেন। ১ম 'পাওয়ার প্লে'-তে (১০ ওভারে) তারা সংগ্রহ করেন ৬৬ রান। দলীয় ৯৯ রানের মাথায় (১৫.৬ ওভারে) ১ম উইকেটের পতন ঘটে। আউট হন রহমানুল্লাহ্ গুরবাজ ব্যক্তিগত ৪২ (৪৪) রান করে। 

অপর ওপেনার নির্ভরতার প্রতীক ইবরাহীম জাদরান গত ম্যাচে যে রান করেছিলেন, ঠিক সমানসংখ্যক ৯৫ রান করে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন। তার ইনিংসে ছিল ৭টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার মার। আর পরে বর্ষীয়ান মোহাম্মদ নবী খেলেন দারুণ একটি ক্যামিও। মাত্র ৩৭ বল থেকে ৪টি চার ও ৫টি ছয়ের মাধ্যমে তার ব্যাট থেকে আসে ৬২ রান। আর আফগান বাহিনী নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে সংগ্রহ করে ২৯৩/৯ রান। বাংলাদেশের পক্ষে পার্টটাইম বোলার সাইফ হাসানের বোলিং ছিল অসাধারণ। তার (বোলিং) ফিগার ৪-১-৬-৩! এছাড়া তানভির ইসলাম ও হাসান মাহমুদ ২টি করে উইকেট পান। 

জবাব দিতে নেমে টাইগারদের ১ম উইকেট জুটি একদম খারাপ করেনি। তাদের ১ম ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরার সময় দলীয় রান ছিল ৩৫। কিন্তু তারপর শুরু হয় তাদের আসা আর যাওয়া! তারপর আর মাত্র ৫৮ রান যোগ করতেই তাদের প্রত্যেক ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে ফেরেন! অর্থাত বাংলাদেশের ১০ টি উইকেটের পতন ঘটে (ঐ মাত্র) ৫৮ রানে! ২৭.১ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অলআউট হয়ে ব্যাটিং ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করে দ্বি-শত রানের হার মেনে নেয় টাইগার বাহিনী! 

বাংলাদেশের ওপেনার সাইফ হাসান ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি! সাইফ ৪৩ (৫৪) রান করেন ২টি চার ও ৩টি ছয় সহ। আফগানিস্তানের হয়ে নতুন মুখ পেস বোলার (এটা তার ২য় ওডিআই) বিলাল সামি দুর্দান্ত বোলিং করেন। তিনি ৫টি উইকেট নেন। এছাড়া (বোলিংয়ে) তাদের মূল তারকা রশিদ খাঁনের বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ৬-১-১২-৩। 

এ ম্যাচের সেরা প্লেয়ার নির্বাচিত হন বিলাল সামি তার ৭.১-০-৩৩-৫ উইকেটের জন্য। আর বাংলাদেশকে ৩-০ তে হারানো এ সিরিজের "ম্যান অব দ্য সিরিজ" মনোনীত হন ইবরাহীম জাদরান। এ সিরিজে তার ইনিংসগুলো হলো- ২৩, ৯৫, ৯৫। যদিও পরপর দু-দুটি সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ তার থেকেই যাবে। তবুও মোট ২১৩ রান সংগ্রহ করে সিরিজ সেরার এ পুরস্কার তার জন্য সান্ত্বনারই। 

 

[ক্রিকবাজ।]

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator