বিগত দুই বছর আগে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে সাভার রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাভার পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী, সাবেক ঢাকা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রিয় নেতা লায়ন মো. খোরশেদ আলম। দলীয় নানা কর্মসূচি—সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও সভা—সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সামনের সারিতে।
দলের কঠিন সময়ে যখন অনেক নেতা-কর্মী নানান চাপে রাজপথ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন, তখনও লায়ন খোরশেদ আলম কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রশাসনিক বাধা, গ্রেপ্তারের ভয় ও নানা ঝুঁকি উপেক্ষা করে তিনি রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন এবং দলের কর্মসূচি সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
নেতাকর্মীদের মনোবল অটুট রাখতে তিনি নিজ হাতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, অসুস্থ বা আহত কর্মীদের খবর নিয়েছেন, এমনকি অনেক সময় নিজের অর্থায়নে আন্দোলনের প্রস্তুতি ও সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। তার নেতৃত্বে সাভার ও আশপাশের এলাকায় বিএনপির সংগঠন নতুনভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
দলের তৃণমূল পর্যায়ে তিনি সব সময় জিয়ার আদর্শ ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। খোরশেদ আলমের মতে, “জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনাই বিএনপির আন্দোলনের মূল লক্ষ্য, এবং এজন্য রাজপথেই থাকতে হবে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্দোলনের সময় লায়ন খোরশেদ আলমের সাহসী ভূমিকা ও তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা তাকে একজন নির্ভরযোগ্য, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার নেতৃত্বে বিএনপির কর্মীরা নতুন উদ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
তারা আরও মনে করেন, লায়ন খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে আগামী পৌর নির্বাচনে বিএনপি নতুনভাবে সাভারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে। তার নেতৃত্বে সাভারের রাজনীতি গণমানুষের পাশে থেকে আরও সংগঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা।