কিশোরগঞ্জ আদালতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার ! | আই নিউজ বিডি

কিশোরগঞ্জ আদালতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার !..

Mizanur Rahman avatar   
Mizanur Rahman
কিশোরগঞ্জ আদালতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার !..
কিশোরগঞ্জ আদালতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার !..
ছবি: সংগৃহীত
সাধারণ জনগণ মিথ্যা মামলায় হয়রানি শিকার!

কিশোরগঞ্জ আদালতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার !

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

কিশোরগঞ্জ জেলায় ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, আদালতে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার সংখ্যা বাড়ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই ছাড়াই নিরপরাধ মানুষকেও জেল হাজতে পাঠানো হচ্ছে। ফলে বিচারব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, কিছু প্রভাবশালী মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যা অভিযোগ এনে নিরীহ মানুষকে ফাঁসাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তদন্ত বা প্রমাণ যাচাই ছাড়াই অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হচ্ছে এবং পরে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে নিরপরাধ মানুষকে আটক বা জেলে পাঠানো হচ্ছে। এতে অনেক পরিবার ভেঙে পড়ছে, সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

 

একজন স্থানীয় নাগরিক বলেন, “আমরা আদালতের ওপর বিশ্বাস রাখি, কিন্তু যখন দেখি কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই মানুষকে জেলে পাঠানো হচ্ছে, তখন মনে হয় ন্যায়বিচার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।”

আরেকজন সামাজিক কর্মীর ভাষায়, “যেখানে নিরপরাধ মানুষ হয়রানির শিকার হয়, সেখানে প্রকৃত অপরাধীরাও সুযোগ পায়— এটা সমাজের জন্য খুবই বিপজ্জনক।”

 

সচেতন মহল মনে করছে, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে আরও তদারকি বাড়াতে হবে। প্রতিটি মামলা গৃহীত হওয়ার আগে সঠিক তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই এবং অভিযুক্তের বক্তব্য শোনার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি।

 

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিচার বিভাগের মর্যাদা ও জনগণের আস্থা টিকিয়ে রাখতে হলে আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং অনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হতে হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

অন্যদিকে স্থানীয় মানুষের দাবি, আদালতের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি মামলার প্রাথমিক তদন্তে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা প্রয়োজন। তাহলেই মিথ্যা মামলার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে এবং নিরপরাধ মানুষের হয়রানি বন্ধ হবে।

 

সচেতন সমাজের প্রত্যাশা, বিচারব্যবস্থা যেন আবারও সেই বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠে— যেখানে নিরপরাধ মানুষ ভয়

নয়, ভরসা পায়।

Walang nakitang komento


News Card Generator