মনোনয়ন প্রত্যাশী গণ অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে আলোচনায়
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা গণ অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সততা, ত্যাগ ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
জনগণের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রয়োজনে সবসময় পাশে দাঁড়ানোই তার মূল পরিচয়। দিন-রাত যে কোনো সময় সাধারণ মানুষ তাকে নিজের পাশে পায়। সমাজের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—তিনি কেবল রাজনীতিবিদ নন, প্রকৃত অর্থে একজন জনগণের সেবক।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, করিমগঞ্জ ও তাড়াইলের উন্নয়ন, বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সত্যিকার নেতৃত্বের জন্য এই ত্যাগী নেতা সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি। তিনি কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন।
দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, এই সহ-সভাপতির নেতৃত্বে এলাকা নতুনভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি এমপি হলে সংসদে গিয়ে এলাকার সমস্যা, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তারা।
কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সর্বস্তরের মানুষের কণ্ঠে এখন একটাই কথা—“ত্যাগী নেতা ও জনগণের সেবক এই মানুষটিই প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য।”