ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের এজবাস্টনে ২ আগস্ট (বাংলাদেশ সময়) রাত ৯:৩০-এ শুরু হয় টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ। টসে জয়লাভ করে পাকিস্তানের অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
বাঁহাতি হার্ডহিটিং ওপেনার শারজিল খাঁনের ৪৪ বলে ৯ টি চার ও ৪ টি ছয়ের সাহায্যে ৭৬, ওমর আমিনের ৩ টি চার ও ৩ টি ছয়ের সহায়তায় ১৯ বলে ৩৬ এবং আসিফ আলীর ২ টি ছয়ের মাধ্যমে ১৫ বলে ২৮ রানের ওপর ভর করে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান। দঃ আফ্রিকার ওয়েইন পারনেল এবং হারদুস ভিলোয়েন (সেমি ফাইনালের মতই) ২ টি করে উইকেট নেন যথাক্রমে ৩২ ও ৩৮ রান দিয়ে।
জবাবে দঃ আফ্রিকার দুই ওপেনার পাওয়ার প্লে-তেই ৭২ রান তোলেন। ৬ষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ঐ (৭২) রানের মাথায়ই হাশিম আমলা আউট হন ১৪ বলে ১৮ রান করে। তাঁর ইনিংসে ছিল ২ টি বাউন্ডারি। তারপর অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স ওয়ান ডাউনে নামা জন পল ডুমিনিকে নিয়ে করেন মাত্র ৬৫ বলে অপরাজিত ১২৫ রানের জুটি। ফলে দঃ আফ্রিকা বড় টার্গেট থাকা সত্ত্বেও ১৬.৫ ওভারে সহজেই পৌঁছে যায় (১৯৭/১) জয়ের লক্ষ্যে।
ডি ভিলিয়ার্স টুর্নামেন্টে তাঁর ব্যক্তিগত ৩য় সেঞ্চুরি করেন। শতকে পৌঁছতে তিনি বল খরচ করেন মাত্র ৪৭ টি! শেষ পর্যন্ত তিনি ৬০ বলে (আরো একটি বিস্ফোরক) ১২০* রানে গিয়ে ইনিংস শেষ করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১২ টি চার এবং ৭ টি ওভার বাউন্ডারি। আর তাঁর সঙ্গী জেপি ডুমিনি করেন ২৮ বলে ৪ টি চার ও ২ টি ছয়ের সাহায্যে ৫০*। পাকিস্তানের পক্ষে একমাত্র উইকেটটি পান সাঈদ আজমল ৩২ রানের বিনিময়ে। দঃ আফ্রিকা ম্যাচ জেতে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
টুর্নামেন্টে ৪র্থ বারের মত প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হন এবি ডি ভিলিয়ার্স। আর ৬ ম্যাচে ১ টি অর্ধশতক এবং ৩ টি শতক সহ ৪২৯ রান সংগ্রহ করে "প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ"-ও তিনিই।