নেত্রকোণা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টুর মৃত্যুর সংবাদের সাথে কারাগারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে নিশ্চিত করেছে কারা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কারা অধিদপ্তর জানায় যে, পিন্টুর মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ গুজব। পিন্টু কারাগারে আটক ছিলেন না এবং তার মৃত্যু কারাগারে হয়নি।
কারা অধিদপ্তর সবাইকে এই গুজব থেকে সতর্ক থাকার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই না করে কোনো তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানায়।
এদিকে, পিন্টুর ভাগনে জাকির হোসেন প্রবাল জানিয়েছেন যে তার মামা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। গত ২৮ জুলাই ঢাকার নিজ বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন। পিন্টুর মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয় যে তিনি কারাগারে নির্যাতনের কারণে মারা গেছেন।
ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের কচন্দরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার মৃত্যু নিয়ে ছড়ানো গুজব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এই ধরনের গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া, এ ধরনের গুজব সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করে শেয়ার করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া, এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে গুজব রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
পরিশেষে, এই গুজব ছড়ানোর পিছনে কারা জড়িত তা অনুসন্ধান করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা।