হাটহাজারীতে জামায়াতে ইসলামী’র ৭ দফা দাবিতে প্রচারণা ও সমাবেশ প্রস্তুতি.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

হাটহাজারীতে জামায়াতে ইসলামী’র ৭ দফা দাবিতে প্রচারণা ও সমাবেশ প্রস্তুতি..

সালাউদ্দীন মুন্না avatar   
সালাউদ্দীন মুন্না
হাটহাজারীতে জামায়াতে ইসলামী’র ৭ দফা দাবিতে প্রচারণা ও সমাবেশ প্রস্তুতি..
হাটহাজারীতে জামায়াতে ইসলামী’র ৭ দফা দাবিতে প্রচারণা ও সমাবেশ প্রস্তুতি..
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতে ইসলামী হাটহাজারী উপজেলায় ৭ দফা দাবিতে সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে, নেতৃত্ব দিচ্ছেন চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় আসন পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম।..

হাটহাজারীতে জামায়াতে ইসলামী’র ৭ দফা দাবিতে প্রচারণা ও সমাবেশ প্রস্তুতিজামায়াতে ইসলামী হাটহাজারী উপজেলায় ৭ দফা দাবিতে সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে, নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাটহাজারী উপজেলা শাখা আগামী ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জাতীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে জোর প্রচারণা চালাচ্ছে। এই সমাবেশে ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হবে যা দেশের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজি বিরুদ্ধে সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে। বিশেষ করে দলটির নেতৃবৃন্দ একটি চাঁদাবাজ মুক্ত ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজের দাবি জানাচ্ছেন।হাটহাজারী উপজেলার আমীর ও চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী সংসদীয় আসনের পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম এই প্রচারণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, "সারা বাংলাদেশে আপনারা দেখেছেন, যেভাবে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি চলতেছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি একটি চাঁদাবাজ মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ চাই।"

১৩ জুলাই  বিকাল ৪:৩০ মিনিটে হাটহাজারী ডাকবাংলোর সামনে এক সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জনসাধারণের সাথে কুশল বিনিময় করা হয়। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ সম্পাদক আবুল বাশার এবং হাটহাজারী পৌরসভা আমীর মোঃ আবু আহাম্মদ।এই সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী’র পক্ষ থেকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করা।

এ ধরনের সমাবেশ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কেমন প্রভাব ফেলে তা নিয়ে বিশ্লেষকরা নানা দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করছেন।এই সমাবেশের মাধ্যমে দলটি কীভাবে তাদের দাবিগুলোকে বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সমাবেশ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারে। এর ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।জামায়াতে ইসলামী’র এই সমাবেশ এবং এর প্রস্তুতি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে কী ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে এবং জনগণের মাঝে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে তা সময়ই বলে দেবে।

Inga kommentarer hittades


News Card Generator