নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে সাহাদাত রাজধানীর পল্টন এলাকার ‘নার্ভিক ভিসা কনসালটেন্টস’ এবং এর আগে ‘জিনিয়াস ভিসা কনসালটেন্টস’ নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রতারণা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
ভুক্তভোগী সাখাওয়াত হোসেন জানান, “গত বছরের ১৯ মে হাঙ্গেরির ভিসার জন্য আমি পাসপোর্টসহ এক লাখ টাকা দিয়েছিলাম। সাহাদাত আমাকে একাধিকবার ঢাকায় ডেকে এনে ফ্লাইট নিশ্চিতের আশ্বাস দেন। কিন্তু দীর্ঘ ১৪ মাসেও ভিসা তো পাইনি, বরং উনি আমার পাসপোর্ট ও টাকা ফেরতও দেননি। বর্তমানে তার সব ফোন নম্বর বন্ধ এবং তিনি বারবার ঠিকানা পরিবর্তন করছেন।”
আরেকজন ভুক্তভোগী ও এজেন্সি মালিক আব্দুর রহমান বলেন, “সাহাদাত সার্বিয়ার ভিসার জন্য আমার কাছ থেকে ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেয়। এখন সে ফোন পর্যন্ত রিসিভ করে না। আমি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”
ভুক্তভোগীদের দেওয়া নম্বরে একাধিকবার কল করেও সাহাদাতের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার বাবা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সাহাদাত এমন কাজ করবে, এটা আমাদের কল্পনারও বাইরে। ও আমাদের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ করে না। তারপরও আমি চেষ্টা করছি বিষয়টি দেখার।”
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভিসা ব্যবসার আড়ালে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।