নির্বাচন পেছাতে চায় না জামায়াত, চায় সুষ্ঠু পরিবেশ , সোহরাওয়ার্দীতে গোলাম পরওয়ার.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

নির্বাচন পেছাতে চায় না জামায়াত, চায় সুষ্ঠু পরিবেশ , সোহরাওয়ার্দীতে গোলাম পরওয়ার..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
নির্বাচন পেছাতে চায় না জামায়াত, চায় সুষ্ঠু পরিবেশ ,  সোহরাওয়ার্দীতে গোলাম পরওয়ার..
নির্বাচন পেছাতে চায় না জামায়াত, চায় সুষ্ঠু পরিবেশ ,  সোহরাওয়ার্দীতে গোলাম পরওয়ার..
ছবি: সংগৃহীত
Jamaat-e-Islami is not seeking to delay the national election — it demands a fair environment and level playing field, says Golam Porwar from Suhrawardy Udyan.

আগামী নির্বাচন পেছানোর নয়, বরং নিরপেক্ষ ও সবার জন্য সমান সুযোগ চায় জামায়াতে ইসলামি। সোহরাওয়ার্দীতে জাতীয় সমাবেশ ঘিরে দিলেন বড় বার্তা।

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন—তাদের দল জাতীয় নির্বাচন পেছাতে চায় না। বরং তারা চায় একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার জন্য সমান সুযোগ-সম্পন্ন নির্বাচন।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বক্তব্য দেন। তিনি এসময় মাঠ পরিদর্শনে আসেন আসন্ন ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশের প্রস্তুতি দেখতে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা নির্বাচনের সময়সূচি পেছাতে চাই না। কিন্তু এই মুহূর্তে দেশে এমন একটি সুষ্ঠু পরিবেশ নেই যেখানে জনগণ বিশ্বাস করতে পারে যে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সরকারের ভূমিকাই সেই সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

তিনি জানান, আসন্ন জাতীয় সমাবেশে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে অংশ নিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। কারণ, এই সমাবেশে তারা সরকারকে স্পষ্টভাবে জানাতে চান—জনগণ আর প্রহসনের নির্বাচন চায় না।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই নির্বাচনের আগে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড গড়ে তোলা হোক। পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কার এবং বিচারব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন জনগণের সামনে আনতে হবে।

জামায়াত নেতার এই বক্তব্যে পরিষ্কার—তারা রাজপথে আছে, থাকবে এবং দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

গোলাম পরওয়ার সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, এই সমাবেশ কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের দাবি তুলে ধরতে চাই। জনগণ চায় ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, এবং ন্যায্যতা। এই চাওয়া যদি সরকার উপলব্ধি না করে, তাহলে জনগণের প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে।

নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—জনগণ নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। আর জামায়াত সেই অপেক্ষারই একটি রাজনৈতিক মুখপাত্র হয়ে উঠছে।

তাদের দাবি একটাই—নির্বাচন যেন নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক এবং প্রতিযোগিতামূলক হয়। সেক্ষেত্রে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

এখন দেখার বিষয়, সরকার কীভাবে এই বার্তা গ্রহণ করে, এবং ১৯ জুলাইয়ের জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ কতটা প্রভাব ফেলতে পারে দেশের রাজনীতিতে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator