৩৬ জুলাইয়ে দোয়া আয়োজন করতে না পারা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দল ইস্যুতে যা বললেন ঝালকাঠি-১ এর এমপি..

MD  IMRAN MUNSHI avatar   
MD IMRAN MUNSHI
৩৬ জুলাইয়ে দোয়া আয়োজন করতে না পারা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দল ইস্যুতে যা বললেন ঝালকাঠি-১ এর এমপি..
৩৬ জুলাইয়ে দোয়া আয়োজন করতে না পারা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দল ইস্যুতে যা বললেন ঝালকাঠি-১ এর এমপি..
ছবি: সংগৃহীত

রাজাপুর-কাঠালিয়া আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রশ্নে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিএনপি ও অঙ্গ..

 

মোঃ ইমরান মুন্সি 
জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি 


ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রশ্নে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

​ফেসবুক পোস্টে এমপি জামাল অভিমত ব্যক্ত করে লিখেছেন, দলের কিছু নেতাকর্মী ব্যক্তিস্বার্থে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন, যা বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহায়তা করা, তাদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া, ঠিকাদারি স্বার্থ রক্ষা এবং অর্থের বিনিময়ে দলে অন্তর্ভুক্তির মতো অভিযোগ উঠেছে কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

​একই পোস্টে তিনি লেখেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাদের যথাযথভাবে স্মরণ করা হয়নি। এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি নেতাকর্মীদের আত্মসমালোচনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি পদ-পদবির রাজনীতির সমালোচনা করে সতর্ক করেন যে, আদর্শ থেকে বিচ্যুত হলে দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে হবে।

​এদিকে এমপি জামালের ওই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ নেতাকর্মী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তাঁর এই কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

​এমপি রফিকুল ইসলাম জামালের ফেসবুক বৃহস্পতিবার রাতে  পোস্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেন দলীয় নেতাকর্মীদের উপর তিনি লেখেন​"ঝালকাঠির বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের খাই খাই বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি। ছয় মাসে অনেক খেয়েছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাহারার বিনিময়ে খেয়েছেন, আওয়ামীদের পক্ষে ওকালতি করে খেয়েছেন, আওয়ামীদের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে খেয়েছেন, ঠিকাদারি পাহারা দিয়ে খেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে আওয়ামীদের দলে যোগদান করিয়েও খাচ্ছেন। মনে হয় দলটা খেয়ে ফেলবেন। লজ্জা থাকা উচিত যাদের রক্তের বিনিময়ে আপনাদের এত খাওয়ার সুযোগ হয়েছে, সেই ৩৬ জুলাই শহীদদের জন্য ৫ই আগস্ট একটু দোয়া মোনাজাত করতে পারেননি। শুধু নেতা হতে পদ চাই— খুব দ্রুতই দল থেকে ঝরে পড়বেন।"

No comments found


News Card Generator