যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করল কানাডা, ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করল কানাডা, ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা..

শহীদুল ইসলাম  avatar   
শহীদুল ইসলাম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করল কানাডা, ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা..
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করল কানাডা, ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা..
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর শুল্কনীতির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সকল বাণিজ্য আলোচনা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার পর..

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ফের এক বড় ধরণের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ কানাডা। যুক্তরাষ্ট্রের হবু বা বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক কানাডার পণ্যের ওপর আকস্মিকভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির পরই অটোয়ার পক্ষ থেকে এই কঠোর সিদ্ধান্ত আসে। ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপে দুই দেশের দীর্ঘদিনের মিত্রতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরণের ফাটল ধরতে পারে।

বিশ্লেষক মেজর গৌরব আর্য তাঁর জনপ্রিয় শো 'দ্য চাণক্য ডায়ালগস'-এ এই বাণিজ্য দ্বন্দ্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে জানিয়েছেন যে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক অর্থনৈতিক নীতি কেবল চীন বা মেক্সিকোর সঙ্গেই নয়, বরং আমেরিকার দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু কানাডার সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি ঘটাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবে এই বিশাল শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা কানাডার অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কানাডার সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না অটোয়া। মার্কিন প্রশাসন যতক্ষণ না তাদের এই একতরফা ও হুমকিমূলক শুল্কনীতি থেকে সরে আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ধরনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৈঠক ফলপ্রসূ হওয়া অসম্ভব। ফলস্বরূপ, দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে পূর্বনির্ধারিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বৈঠক অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, উত্তর আমেরিকার দুই প্রভাবশালী দেশের এই বাণিজ্য সংঘাত শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। কানাডা তাদের অভ্যন্তরীণ বাজার ও শিল্প সুরক্ষায় বিকল্প বাণিজ্য অংশীদার খোঁজার ওপর জোর দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব এই সংকট উত্তরণে কোনো কূটনৈতিক সমাধানের পথে হাঁটে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সোর্স: youtu.be

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator