ডুমুরিয়ার স্মিতার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন: প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা..

LATIF MORAL avatar   
LATIF MORAL
ডুমুরিয়ার স্মিতার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন: প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা..
ডুমুরিয়ার স্মিতার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন: প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা..
ছবি: সংগৃহীত

****

 

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সাড়াভিটার স্মিতা মন্ডল সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে উজ্জ্বল করল বিদ্যালয় ও পরিবারের মুখ।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম সাড়াভিটার ২১১ নম্বর সাড়াভিটা নরেন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী স্মিতা মন্ডল ২০২৬ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে বিদ্যালয়, পরিবার ও এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তার এই সাফল্য শুধু তার পরিবারেই নয়, বরং পুরো এলাকায় আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে।রংপুর ইউনিয়নের এই বছর মোট ১৩ জন শিক্ষার্থী সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে। স্মিতা মন্ডল তাদের মধ্যে অন্যতম, যে তার অধ্যবসায় ও মেধার দ্বারা এই সাফল্য অর্জন করেছে।স্মিতা বর্তমানে রংপুর মধ্যপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছোট্ট মেয়ে স্মিতার বাবা বিকান্ত মন্ডল পল্লী বিদ্যুতের একজন কর্মচারী এবং মা নিয়তি মন্ডল গৃহিণী। তার বড় বোন পাপড়ি মন্ডল সুন্দরবন কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করছেন। পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতা ও বড় বোনের অনুপ্রেরণায় স্মিতা তার পড়াশোনায় নিয়মিত মনোযোগ দিয়েছে।ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী স্মিতা বড় হয়ে একজন প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সে তার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। স্মিতার বাবা বিকান্ত মন্ডল বলেন, “আমার মেয়ের এই সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের আন্তরিক প্রচেষ্টা, এলাকাবাসীর সহযোগিতা এবং তার নিজের নিয়মিত পড়াশোনার বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা চাই, সে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করে দেশের একজন দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুক।”বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসীরাও স্মিতার এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, স্মিতা ভবিষ্যতেও তার মেধা ও পরিশ্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে এবং এলাকার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।স্মিতার এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, প্রতিকূলতা কোনো বাধা নয় যদি মনের জোর ও অধ্যবসায় থাকে। তার এই অর্জন প্রান্তিক অঞ্চলের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও অনুপ্রাণিত করবে আরও উচ্চতর সাফল্য অর্জনে। স্মিতা মন্ডল তার স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল, যা তার ভবিষ্যত পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।ছবির ক্যাপশন: ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জনের পর বাবা বিকান্ত মন্ডল ও মা নিয়তি মন্ডলের সঙ্গে শিক্ষার্থী স্মিতা মন্ডল।ট্যাগস: শিক্ষা, খুলনা, বৃত্তি, ডুমুরিয়া, সফলতা

Ingen kommentarer fundet


News Card Generator