বাংলাদেশে কৃষকদের সুবিধার্থে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার সরবরাহ করা হলেও বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার বিভিন্ন বাজারে সেই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
সরকার নির্ধারিত খুচরা মূল্য অনুযায়ী কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া সার ২৭ টাকা, ডিএপি ২১ টাকা, টিএসপি ২৭ টাকা এবং এমওপি ২০ টাকা দরে বিক্রি করার কথা রয়েছে। কিন্তু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এসব সার নির্ধারিত দামের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অনেক বেশি হলেও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি প্রদান করছে। এর ফলে আমদানিকৃত উচ্চমূল্যের সার কৃষক পর্যায়ে তুলনামূলক কম দামে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।
অনলাইনে তথ্য অনুযায়ী, ইউরিয়া সারে সরকার প্রতি কেজিতে প্রায় ২১ টাকার বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে। ডিএপি সারে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৯ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি প্রদান করা হয়। টিএসপি সারে প্রায় ২৩ টাকা বা তার বেশি এবং এমওপি সারে প্রায় ৪০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিয়ে সরকার কৃষকদের কাছে কম দামে সার পৌঁছে দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সারের উচ্চমূল্যের কারণে প্রতিবছর সরকার কৃষকদের সহায়তায় প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি প্রদান করছে বলে বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সরকার কৃষকদের সুবিধার জন্য নির্ধারিত দামে সার সরবরাহের ব্যবস্থা করলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সেই সুযোগে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর তদারকির অভাবে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি।
কৃষকদের দাবি, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকায় অনেক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করে যাচ্ছেন। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, সরকার নির্ধারিত দামে সার পাওয়া গেলে কৃষিকাজ অনেক সহজ হতো। কিন্তু বেশি দামে সার কিনতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ নির্ধারিত দামের বেশি দামে সার বিক্রি বা অবৈধভাবে মজুদ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করা হলে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে কৃষকরা সরকার নির্ধারিত দামে সার কিনতে পারবেন।
সরাসরি কেনাকাটা করুন
খুলনার আসল চুই ঝাল
স্ক্যানার লিগাল প্রিন্টার স...
চুইঝাল গাছের চারা
বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির ও ...
টেবিল ঘড়ি
Galaxy TAB A11+
Galaxy Tab A11
Casio Youth World Time AE-1...
Xiaomi OiDiRe Multifunction...
Rose Design 8 pcs King Size...
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি